প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে জাপানকে ‘গুপ্তচরদের আখড়া’ হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ ওঠার পর তথ্য সংগ্রহ ব্যবস্থাকে কেন্দ্রীভূত করার লক্ষ্যে, দেশটির নতুন জাতীয় গোয়েন্দা ব্যুরো শুক্রবার প্রথম বৈঠক করেছে।
গত মে মাসে পাস হওয়া একটি আইনের আওতায়, জাপান বিদ্যমান একটি গোয়েন্দা সংস্থাকে আরও শক্তিশালী করে নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের কেন্দ্রীয় সংস্থায় রূপ দিয়েছে।
এই খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র দ্বারা প্রচারিত হয়েছে।
নতুন জাতীয় গোয়েন্দা ব্যুরো বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে সংগৃহীত তথ্যগুলো একীভূত করবে এবং নবগঠিত জাতীয় গোয়েন্দা পরিষদে প্রতিবেদন দেবে। এই পরিষদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।
জাপানি কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে মন্তব্য করে আসছেন যে, বিদেশি গুপ্তচরবৃত্তি ঠেকানো, সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ, গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি সুরক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তা জোরদারের জন্য, দেশটির গোয়েন্দা সক্ষমতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।
সমালোচকদের মতে, গুপ্তচরবৃত্তি মোকাবিলায় টোকিওর বিদ্যমান নীতি ও আইন প্রয়োগ ব্যবস্থা চরমভাবে দুর্বল ও অপর্যাপ্ত।
দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস চলতি মাসে একটি প্রতিবেদনে জানায়, রাশিয়া জাপানকে ‘গুপ্তচরদের আখড়া’ হিসেবে ব্যবহার করেছে এবং ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে দেশটিকে কাজে লাগিয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে ইউক্রেন সরকারের একটি হিসাবের বরাত দিয়ে বলা হয়, রাশিয়ার ৯০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনে জাপানি উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জাপানের সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন