প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের ৫-০ গোলের জয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছেন ১৬ বছর বয়সী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাভান সুলিভান। সান দিয়েগো এফসির বিপক্ষে তিনি জোড়া গোল এবং একটি অ্যাসিস্ট করেছেন।
কাভান সুলিভানের অসাধারণ পারফরম্যান্সের ফলে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন আবারও একটি বড় জয় অর্জন করেছে। ১৬ বছর বয়সী এই তরুণের দুই গোল ও একটি অ্যাসিস্টের মাধ্যমে সান দিয়েগো এফসিকে ৫-০ গোলে পরাজিত করেছে তারা। এই জয়ের ফলে মেজর লিগ সকারে ফিলাডেলফিয়া টানা দুই ম্যাচে ৫-০ গোলের জয় পেয়েছে।
স্ন্যাপড্রাগন স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সান দিয়েগোর ইয়ান মারফি সহিংস আচরণের জন্য লাল কার্ড পান, তবে ভিডিও সহকারী রেফারির পর্যালোচনায় তা বাতিল করা হয়। যদিও একজন কমে না গেলেও বিরতির আগে ফিলাডেলফিয়া স্বাগতিকদের জালে বল পাঠাতে সক্ষম হয়।
কাভানের পা থেকে আসে সেই গোল। ইন্ডিয়ানা ভাসিলেভের ক্রস পেয়ে তিনি দুর্দান্ত ব্যাকহিল শটে বল জালে পাঠান। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে করা সেই গোলের মাধ্যমে ফিলাডেলফিয়া এগিয়ে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধের ৬০ মিনিট পেরোতেই কাভান আবার গোল করেন। এবারও ভাসিলেভ তাঁকে গোলের সুযোগ করে দেন। বক্সের ডান দিক থেকে কঠিন কোণ থেকে নেওয়া শটে গোলরক্ষকের পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে পাঠান কাভান।
এর ছয় মিনিট পর ফিলাডেলফিয়ার তৃতীয় গোলেও কাভানের অবদান ছিল। ব্রুনো দামিয়ানির গোলের সময় কাভান ও ফ্র্যাঙ্কি ওয়েস্টফিল্ডকে অ্যাসিস্টের কৃতিত্ব দেওয়া হয়। এরপর ৮৭ মিনিটে আনিবাল গোদয়ের আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান ৪-০ হয়। যোগ করা সময়ে মালিক জাকুপোভিচ সহজ ট্যাপে পঞ্চম গোলটি করেন।
ম্যাচের পুরো সময়জুড়ে ফিলাডেলফিয়ার আধিপত্য ছিল স্পষ্ট। তারা ২১টি শট থেকে ২.৭৫ প্রত্যাশিত গোলের সুযোগ তৈরি করে। অপরদিকে, সান দিয়েগোর ১০ শট থেকে প্রত্যাশিত গোল ছিল ১.২১।
বিশ্বকাপ বিরতির পর রায়ান রিখটারের অধীনে ফিলাডেলফিয়া দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে। তাঁর অধীনে মেজর লিগ সকারে টানা ১০ ম্যাচ অপরাজিত তারা—জিতেছে সাতটি এবং ড্র করেছে তিনটি। এই ধারায় পূর্বাঞ্চলের পয়েন্ট তালিকায় তারা সপ্তম স্থানে উঠে এসেছে।
কাভানের অবদানও এই সাফল্যে উল্লেখযোগ্য। গত সাত ম্যাচে তিনি সরাসরি ১২টি গোলে অবদান রেখেছেন—পাঁচ গোল ও সাত অ্যাসিস্ট। একই সময়ে ফিলাডেলফিয়া টানা তিন ম্যাচে প্রতিপক্ষকে গোল করতে দেয়নি।
সান দিয়েগোর বিপক্ষে কাভান ছিলেন দলের আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু। ফিলাডেলফিয়ার হয়ে প্রতিপক্ষের বক্সে তাঁর স্পর্শ ছিল সর্বাধিক সাতটি। শেষ তৃতীয়াংশে তিনি সর্বাধিক ২০টি পাস দিয়েছেন এবং পাঁচবার বল দখল করে নেওয়ার কৃতিত্বে দলের শীর্ষে ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে চলা কাভানের জন্য এই ম্যাচটি ছিল আরেকটি বড় বার্তা। মাত্র ১৬ বছর বয়সেই নিয়মিত গোল, অ্যাসিস্ট ও ম্যাচজয়ী পারফরম্যান্স দিয়ে মেজর লিগ সকারে নিজের প্রভাব ক্রমেই বাড়িয়ে চলেছেন এই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন