মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:১০ এম
রাজধানীর পল্টনে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মিছিলে হামলার অভিযোগ করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা।
তারা জানিয়েছেন, সোমবার রাত ১০টায় দলের এক নেতার জেলমুক্তির উপলক্ষে পুরানা পল্টনের সড়কে মিছিল চলাকালীন স্লোগান দিচ্ছিলেন দলের নেতাকর্মীরা। সেই সময় জয় সমাজতন্ত্র স্লোগানকে জয় বাংলা স্লোগান মনে করে কিছু মানুষ তাদের উপর হামলা চালায়।
এই হামলার ফলে সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন নেতাকর্মীরা। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সিপিবির দুই সদস্য বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন নেতারা। তবে হামলাকারীদের পরিচয় সম্পর্কে তারা নিশ্চিত হতে পারেননি।
হামলাকারীদের মধ্যে কয়েকজন নিজেদের সরকার দলের সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা জানিয়েছেন, ‘আমাদের দলের কেউ সেখানে নেই। থাকলেও বহিস্কৃত।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীস্থ পাটুয়ারটেকে অবস্থিত ‘টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে’ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ১০ জনের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ঢাকার দুটি পরিবারের সদস্য রয়েছেন।
তবে নিখোঁজের তালিকায় থাকা স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার ডিএনএ নমুনার সঙ্গে উদ্ধার হওয়া কোনো মরদেহের নমুনার মিল পাওয়া যায়নি। এর ফলে আগুনে উদ্ধার হওয়া ১০টি মরদেহের বাইরে মুক্তার পরিণতি সম্পর্কে প্রশ্ন রয়ে গেছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উখিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রিমন ঘোষ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানিয়েছেন, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মরদেহগুলোর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে স্বজনদের নমুনার সঙ্গে মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একটি পরিবারের চারজন হলেন ঢাকার শ্যামলীর গ্র্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান (৪১), তার স্ত্রী আফসানা মতিন (৩৬) এবং তাদের দুই মেয়ে রোজাইনা ইনায়া (৯) ও মুনাইনা ইহানা (৬)।
অন্য পরিবারের ছয় সদস্য হলেন মৌলিতা মেহজাবিন আলভি (১৯), তার কাজিন লায়লা জাহান নাবিলা (২৫), ইসরাত জাহান মালিহা (২৭) ও ফারিয়া কবির (৩৩), ফারিয়ার ছয় বছর বয়সি ছেলে মোহাম্মদ ফাইজান নূর এবং ফারিয়ার ভাই মোহাম্মদ নাফিস তেহামি (২৪)। তারা ঢাকার বনশ্রী ও খিলগাঁও এলাকায় বসবাস করতেন।
নাফিস তেহামি জেরিফ নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। মৌলিতা মেহজাবিন আলভি ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে পপুলেশন অ্যান্ড পাবলিক হেলথ সায়েন্সেস বিষয়ে পড়াশোনা করতেন। লায়লা জাহান নাবিলা ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী।
মুক্তার ডিএনএ মেলেনি
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিআইডির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নাসরিন আক্তার মুক্তার (২৭) ডিএনএ নমুনার সঙ্গে উদ্ধার হওয়া ১০টি মরদেহের কোনো নমুনার মিল পাওয়া যায়নি। মুক্তা সাভারের আশুলিয়ার স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষিকা। তিনি দুই বান্ধবীর সঙ্গে ছুটি কাটাতে কক্সবাজারে এসেছিলেন। তার স্বামী দেওয়ান ফয়সাল জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা জেলা শাখার সাবেক নেতা।
মুক্তার স্বামী দেওয়ান ফয়সালের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত রিসোর্টে তার স্ত্রীসহ তিন বান্ধবী উঠেছিলেন। আগুন লাগার আগে তার স্ত্রীর দুই বান্ধবী কক্ষ থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু মুক্তা তখন কক্ষে থাকায় ভেতরে আটকা পড়েন। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
ফয়সাল বলেন, সোমবার তিনি পুলিশ ও প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তার কাছে গেলেও বিষয়টি নিয়ে কেউ স্পষ্ট করে কিছু বলেননি। পরে তিনি সন্ধ্যায় তার দুই স্বজন নিয়ে আবারো ঘটনাস্থলে যান।
এর আগে তদন্ত কমিটির প্রধান কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) তাসনীম জাহান জানিয়েছিলেন, নিখোঁজ মুক্তার অবস্থান শনাক্ত করতে তার মুঠোফোন নম্বরের তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় তিনি রিসোর্টের ভেতরে ছিলেন, নাকি বাইরে ছিলেন, তা নিশ্চিত হতে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ও তদন্তকারী দল কাজ করছে। তবে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কারও কাছ থেকে নতুন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
অগ্নিকাণ্ডের পর রিসোর্ট থেকে ১০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কিন্তু নিখোঁজের তালিকায় ১১ জনের নাম থাকায় উদ্ধার হওয়া মরদেহ এবং নিখোঁজ ব্যক্তির সংখ্যার মধ্যে গরমিল দেখা দেয়। মুক্তার ডিএনএ না মেলায় সেই প্রশ্নের উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি।
গত ১৭ অক্টোবর সকাল সাতটার দিকে কক্সবাজারের উখিয়ার পাটুয়ারটেক সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশে অবস্থিত তিনতলা টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে আগুন লাগে। কক্সবাজার শহর থেকে রিসোর্টটির দূরত্ব প্রায় ৫০ কিলোমিটার। আগুন লাগার সময় রিসোর্টের প্রথম ও দ্বিতীয় তলার আটটি কক্ষে পর্যটকেরা অবস্থান করছিলেন। নিচতলায় ছিল রেস্তোরাঁ ও কর্মীদের থাকার জায়গা।
ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট সকাল আটটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধারকাজ শুরু করে। সকাল ১০টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। এ কাজে ফায়ার সার্ভিসকে সহযোগিতা করেন বিজিবি, পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা। শেষ পর্যন্ত রিসোর্ট থেকে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আহত সাতজন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও উদ্ধার কাজের সময়কার পরিস্থিতি নিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি জানান, বিকট বিস্ফোরণের শব্দের পর রিসোর্টটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর কয়েকজন পর্যটককে বের হয়ে আসতে দেখা যায়। এরপর রিসোর্টের অন্তত পাঁচজন কর্মীকে দুটি কুকুর ও চারটি বিড়াল নিয়ে দ্রুত বেরিয়ে যেতে দেখেন তারা।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনীম জাহানকে প্রধান করে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে এখনো তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়নি।
এ ঘটনায় ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। মামলায় রিসোর্টের মালিক মোহাম্মদ তানভীর সুলতান মিয়াকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক। রিসোর্টের আরেক মালিক নেওয়াজ মোর্শেদও আত্মগোপনে রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কাঁঠালবাড়ীতে, কুড়িগ্রামে, ঢাকাগামী একটি বাসের ধাক্কায় মনিকা (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এই দুর্ঘটনায় অটোরিকশার চালকসহ তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। তাদেরকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এটি ঘটেছে সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে, কুড়িগ্রাম-রংপুর মহাসড়কের কাঁঠালবাড়ী বিদ্যা কানন স্কুলের সামনে। স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কুড়িগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি কোচ যাত্রীবাহী অটোরিকশাটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়।
এই ঘটনায় অটোরিকশার চারজন যাত্রী আহত হন। তাদেরকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশু মনিকাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তবে, তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক নুর শাহে নেওয়াজ জানিয়েছেন, হাসপাতালে তিনজন আহত রোগী এসেছিলেন। এর মধ্যে এক শিশুকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) আব্দুর রহিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, "এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শাড়িকাণ্ড নিয়ে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। ৭৫ হাজার টাকা দামের শাড়ি সংক্রান্ত মামলার পর মামলার বাদীকে মামলা প্রত্যাহারে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার প্রেক্ষাপট এখনও শেষ না হতেই, বাদী সানায়া চৌধুরীর সঙ্গে তিশার একটি ফোনালাপ ফাঁস হয়েছে। এই ঘটনায় বিনোদন জগতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
পাঠকদের জন্য অডিও রেকর্ডের কথোপকথন হুবহু তুলে ধরা হলো।
তানজিন তিশা: সানায়া আপু, তোমার কোন শাড়ির জন্য আমাকে ফোন দিচ্ছে মানুষজন?
সানায়া চৌধুরী: না, শুধুমাত্র আমার জুটনের ফোন দেওয়ার কথা তোমাকে।
তানজিন তিশা: আচ্ছা, দুইজন দিয়েছে অলরেডি। আচ্ছা কে কে ফোন করছে? কোন শাড়ি বলো তো ওটা?
সানায়া চৌধুরী: ওই যে হোয়াইট কালারের শাড়ি। তুমি যেটা মনে হয় গত বছর, চিটাগাংয়ে পড়ার জন্য নিয়েছিলে ওটা।
তানজিন তিশা: কোনটা বলো তো?
সানায়া চৌধুরী: সাদা শাড়ি, সাদা ব্লাউজ আর সাদা পেটিকোট।
তানজিন তিশা: পাঠানো হয়নি তোমাকে?
সানায়া চৌধুরী: না না না। ওটা তুমি এখনো পাঠাও নাই।
তানজিন তিশা: আমি পাঠাইনি?
সানায়া চৌধুরী: না না।
তানজিন তিশা: আচ্ছা ঠিক আছে, আমি চেক করে দেখব। মানে আমার মনে পড়ছে না কোথায় আছে? যদি এটা বাসায় থেকে থাকে আমার—আমি জানি না কোথায় আছে? কারণ শাড়ি তো এই জীবনে আমি ছুঁয়েও দেখি নাই। বাট, আমার মনে হয় কি সানায়া আপু...
সানায়া চৌধুরী: না না, তুমি ওটা পড়েছ। শোনো, তুমি ওটা পড়েছ।
তানজিন তিশা: আমি পড়েছি, এরপর আমি ধরে দেখিনি, শোনো না। শুনতে পাচ্ছো?
সানায়া চৌধুরী: হ্যাঁ হ্যাঁ, বলো।
তানজিন তিশা: আমি পড়েছি, এরপরে আমি তো ধরেও দেখিনি তোমার শাড়িটা। তাহলে এখন আমি যদি না পড়ি, তাহলে আমার কাছে রেখে তো কোনো লাভ নেই।
সানায়া চৌধুরী: আচ্ছা, সমস্যা নাই। তুমি ওটা বাসায় খুঁজে দেখো।
তানজিন তিশা: আপু, শোনো না। আমি ওটা খুঁজে দেখব।
সানায়া চৌধুরী: খুঁজে তুমি তোমার কনভিনিয়েন্ট টাইমে আমাকে তুমি জানিয়ে দিও।
তানজিন তিশা: আপু শোনো, শোনো, শোনো, শোনো, শোনো, শুনতে পাচ্ছো?
সানায়া চৌধুরী: হ্যাঁ হ্যাঁ, বলো।
তানজিন তিশা: শোনো, আমার সাথে বেশি চালাকি করবা না। কারণ তুমি আমার সাথে যে চালাকিটা করছ, ধরো এখন তো শাড়ির মামলা আসছে, হ্যাঁ? শাড়ির মামলা দেখে তুমি আমাকে শাড়ির জন্য নক দিছো। এখন তুমি সানায়া যদি আমাকে দিয়ে হিট হইতে চাও, তাহলে আমি এমনিতেই তোমাকে হিট বানিয়ে দেব।
সানায়া চৌধুরী: আচ্ছা শোনো না আপু, শোনো না। এগুলো, এগুলো না... আমরা অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে না যাই।
তানজিন তিশা: শোনো, কারণ আমি তোমাকে হিট বানিয়ে দিতে পারি।
সানায়া চৌধুরী: আমি তোমাকে পুরা বছর তোমাকে আমি অনেকবার বলেছি। ইভেন আমার ম্যাসেজ... হ্যাঁ, হ্যাঁ, ম্যাসেজ আছে দেখো যে তুমি তখন বলেছ...
তানজিন তিশা: এখন তোমার মতো ১০টা সানায়া আমাকে নক দেয়। এখন আমি কী করতে পারি, আমাকে বলো? মামলা যখন আমি করব, একদম জাইতা ধরব আমিও।
সানায়া চৌধুরী: আচ্ছা, করো। শোনো... ইফ ইউ ওয়ান্ট টু ডু ইট, ইউ ক্যান ডু ইট। না শোনো, আমার তো তোমার সাথে কোনো বিষয় নাই। আমার শাড়িটা তুমি নিয়েছো, ফেরত দিচ্ছো না, আমি ওটা নিয়ে কথা বলছি।
তানজিন তিশা: ফাইজলামি করো না।
সানায়া চৌধুরী: আমি তোমাকে এক বছর, শোনো, তুমি ইভান ভাইকে জিজ্ঞেস করো, শাহরিয়ার...শোনো, শিপন ভাইকে—আমি অনেক মানুষকে বলেছি।
তানজিন তিশা: আমি যদি তোমার পিছনে লাগি, তুমি কিন্তু বাঁচবা না। তোমাকে নিয়ে দরকার হলে আমি ডিভি নিয়ে বসব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপ জয়ের বছরের শেষভাগে লামিন ইয়ামাল সুখবর পেয়েছেন। এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড, যিনি টিনএজ জুড়ে আলো ছড়িয়েছেন, পুরুষ বিভাগে টানা তৃতীয়বারের মতো ব্যালন ডি অরের বর্ষসেরা তরুণ ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছেন। সোমবার রাতে লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে অনুষ্ঠিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে ইয়ামালের হাতে পুরস্কারটি তুলে দেওয়া হয়, যার অফিসিয়াল নাম ‘কোপা ট্রফি।’
২০১৮ সাল থেকে এই পুরস্কারটি প্রদান করা হচ্ছে। ইয়ামাল ছাড়া আর কেউ একবারের বেশি এই পুরস্কার জিততে পারেননি। ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে তিনি টানা তৃতীয়বারের মতো অনূর্ধ্ব-২১ বছর বয়সীদের সেরা ফুটবলারের পুরস্কার কোপা ট্রফি অর্জন করেছেন।
বার্সেলোনা ও স্পেনের হয়ে গত বছর জুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন ইয়ামাল। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে গত মৌসুমে ক্লাবের হয়ে লা লিগা এবং স্প্যানিশ সুপার কাপ জয়ের পাশাপাশি জাতীয় দলের হয়ে তিনি বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি জিতেছেন। ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে তাঁর পা থেকে এসেছে ২৫টি গোল এবং ২০ অ্যাসিস্ট। মাঠে তাঁর দুর্দান্ত ড্রিবলিং, ক্ষুরধার দূরদর্শিতা এবং বড় ম্যাচে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অসাধারণ ক্ষমতা তাঁকে বিশ্বের অন্যান্য তরুণ তারকাদের থেকে এগিয়ে রেখেছে।
২০১৮ সালে কোপা ট্রফি চালুর পর থেকে এই পুরস্কারে বার্সেলোনার তরুণদের একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রয়েছে। গত ৬টি আসরের মধ্যে ৫ বারই এই ট্রফিটি ক্যাম্প ন্যু-এর ডেরায় গেছে। ২০২১ সালে পেদ্রি এবং ২০২২ সালে গাভির পর টানা তিনবার এই পুরস্কার জিতলেন ইয়ামাল, যদিও পুরস্কার জিতে তিনি বিনয়ী ছিলেন।
তিনি মনে করেন, এই পুরস্কারটি পাওয়া উচিত ছিল বিশ্বকাপে সেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতা তাঁর সতীর্থ ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সির। তিনি বলেন, "এখানে উপস্থিত থাকতে পারা এবং এই পুরস্কার গ্রহণ করতে পারা সম্মানের। তৃতীয়বার এই পুরস্কার জিতলাম। আমার ক্লাব এবং আমার জাতীয় দলকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমার সতীর্থ কুবার্সি এটা জিতলে আমার ভালো লাগত। কারণ, আমি মনে করি এই পুরস্কারটি তার পাওয়া উচিত। সে বেশ অনেক দিন ধরে দারুণ একটি স্তরে খেলছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ