প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতে আসলে কেউ জয়ী হচ্ছে না। পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছে যে উভয় পক্ষের জন্য এটি বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠেছে। আর এই অচলাবস্থার মাঝে যুক্তরাষ্ট্র নিঃশব্দে তাদের সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি করছে যেন ভবিষ্যতে যেকোনো পরিস্থিতির জন্য তারা প্রস্তুত থাকতে পারে।
রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষক মাইকেল স্টিফেন্স জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই অঞ্চলে মার্কিন বিমানবাহিনীর সদস্যদের নতুনভাবে ডাকা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এখানে সেনাবাহিনীর সদস্য সংখ্যা বাড়াচ্ছে, যা স্পষ্টতই নতুন সামরিক প্রস্তুতির একটি লক্ষণ।
তবে, এই সেনা বৃদ্ধির উদ্দেশ্য কী, তা এখনও অস্বচ্ছ। স্টিফেন্সের মতে, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানে কোন ধরনের আক্রমণ চালিয়ে সাফল্য লাভের আশা করতে পারে না। এই দুই দেশের মধ্যে সংঘাত এখন পর্যন্ত পুরোপুরি স্থবির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চালানোর সময়, এই সংঘাতের প্রভাব অঞ্চলের নিরাপত্তা সমীকরণ পরিবর্তন করছে। এদিকে, সৌদি আরবের রিয়াদের উদ্দেশ্যে সফর করেছে ইরাকের একটি শীর্ষ নিরাপত্তা প্রতিনিধিদল। ইরাকি নিউজ এজেন্সির সূত্রানুযায়ী, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থ নিয়ে আলোচনা করেতেই তাদের এই সফর।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের সময় ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো সৌদি আরবে কয়েকবার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তবে, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি গত সপ্তাহে জোর দিয়ে বলেছেন, অন্যান্য দেশে হামলার উদ্দেশ্যে বাগদাদ কাউকে তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না।
ইরাকের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক কার্যালয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আবদুল আমির আল-শাম্মারির নেতৃত্বে এই শীর্ষ নিরাপত্তা প্রতিনিধিদলে দেশটির গোয়েন্দা ও বিমানবাহিনীর প্রধানরাও আছেন। সৌদি কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের আলোচনায় সাম্প্রতিক হামলা, সম্ভাব্য ড্রোন হামলার হুমকি এবং দুই দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন