প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে বুধবার (৪ আগস্ট) রাতে রুশ বাহিনী ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে। এতে অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন এবং ৪৪ জন আহত হয়ে আছেন। হামলায় আবাসিক ভবন, একটি রেলস্টেশন ও গুদামঘর ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। খবরটি জানিয়েছে বিবিসি।
ইউক্রেনের বিমান বাহিনী জানায়, এই হামলায় রাশিয়া মোট ২৪টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, চারটি জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১১৫টি ড্রোন ছেড়ে। এর মধ্যে ৯৮টি ড্রোন ভূপাতিত করা হলেও, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার ব্যাপারে কোনো তথ্য হয়নি।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় অস্ত্র সংরক্ষণ, সরবরাহ ও ড্রোন উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত লজিস্টিক কেন্দ্রগুলোতে হামলা পরিচালনা করা হয়েছে। পাশাপাশি, কৃষ্ণসাগরের ওডেসা বন্দরের কাছে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী তিনটি কার্গো জাহাজেও হামলার দাবি করেছে মস্কো।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন এমন আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের অভাবের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনীয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ইন্টারসেপ্টর থাকলে অনেক মানুষের প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব হতো।
জেলেনস্কি আরও বলেন, পশ্চিমা মিত্রদের কাছ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টর পেতে বিলম্ব হওয়ায় ইউক্রেন ভয়াবহ প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের মুখে পড়তে হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কিয়েভে রাশিয়ার হামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। অন্যদিকে, ইউক্রেনও রাশিয়ার অভ্যন্তরে বিভিন্ন বেসামরিক অবকাঠামো, ড্রোন হামলা জোরদার করেছে।
তথ্যসূত্র: বিবিসি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন