প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন জিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মো. বেলায়েত হোসেন।
গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদকবিরোধী অভিযানে হাজি মাজার বস্তি থেকে ২০ জন মাদকসেবীকে আটক করা হয়েছে। এ সময় আসামিদের ঘিরে লোকের একটি জনসমাগম দেখা যায়। তা মোকাবেলা করতে পুলিশ ৪টি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে।
রবিবার (১২ জুলাই) রাত ৮টার দিকে তুরাগ নদীর তীরে অবস্থিত ওই বস্তিতে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ ও টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ যৌথভাবে এ অভিযানটি চালায়। বিপুলসংখ্যক পুলিশ সেখানে গিয়ে মাদক সেবনের অভিযোগে ২০ জনকে আটক করে। আসামিদের আটকের পর পুলিশ যখন তাদের গাড়িতে উঠাচ্ছিল, তখন বস্তির অনেক মানুষ আসামিদের ঘিরে ফেলার চেষ্টা করলে নিরাপত্তার কারণে সাথে সাথে ৪টি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়।
অভিযানের সময় বিস্ফোরিত সাউন্ড গ্রেনেডের ধোঁয়ায় পুরো মাজার বস্তি আচ্ছন্ন হয়ে যায়। গ্রেনেডের বিস্ফোরণের তীব্র শব্দ শুনে সাধারণ মানুষ ভয়ে এদিক-ওদিক ছুটাছুটি শুরু করেন। মাজার বস্তি ও এর আশপাশের টঙ্গী বাজারের পশ্চিম অংশ এবং সেনাকল্যাণ ভবন এলাকায় দোকানপাট সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়। পরে পুলিশ আটক হওয়া ২০ জন আসামিকে টঙ্গী পশ্চিম থানায় নিয়ে যায়।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, জিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. বেলায়েত হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। আসামি আটকের পর অতিরিক্ত জনসমাগমের কারণে ৪টি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করা হয়েছে। কলিজা ধরুন, আসামিরা এখন টঙ্গী পশ্চিম থানা হেফাজতে আছেন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
জিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. বেলায়েত হোসেন বলেছেন, জিএমপি কমিশনারের নির্দেশে আমরা মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছি।
আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন