প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের কর্তৃক আরোপিত উগান্ডার ওপর বিমান ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বা বিধিনিষেধের জন্য উগান্ডা তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
প্রতিবেশী গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র থেকে ছড়িয়ে পড়া ইবোলা প্রাদুর্ভাবের কারণেই এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। দেশটি এসব পদক্ষেপকে ‘অন্যায্য’ বলে দৃঢ়ভাবে সমালোচনা করেছে।
এবং খবরটি এএফপি বার্তা সংস্থা থেকে এসেছে। পূর্ব আফ্রিকার দেশটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা প্রাণঘাতী রক্তক্ষরণজনিত জ্বরের সর্বশেষ প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় অসাধারণ পদক্ষেপ নেয়ার জন্য প্রশংসা করেছেন।
মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে সতর্কতা জারির পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৯টি নিশ্চিত সংক্রমণের মধ্যে মাত্র দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। সংক্রমিতদের অধিকাংশই কঙ্গোর নাগরিক, যারা সীমান্ত অতিক্রম করে নিজেদের দেশ থেকে উগান্ডায় প্রবেশ করেছিলেন।
কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে ১৫ মে থেকে এখন পর্যন্ত ৬৭৬টিরও বেশি সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে এবং এতে ১৩৬ জনের মৃত্যু ঘটেছে।
উগান্ডার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব ডায়ানা আতউইন শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ বলেন, উগান্ডার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, রাষ্ট্রদূত এবং উগান্ডায় পরিষেবা প্রদানকারী বিমান সংস্থাগুলো বর্তমান ইবোলা পরিস্থিতির কারণে আরোপিত অন্যায্য ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আলোচনা করেছেন।
তিনি আরও মন্তব্য করেন, ‘সতর্কতার প্রয়োজন আমরা বুঝি। তবে সার্বিক নিষেধাজ্ঞা সেই দেশগুলোর ওপর আস্থাকে ক্ষুণœ করে, যারা সংক্রমণের তথ্য স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করে এবং এটি বাস্তব ঝুঁকির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস সোমবার উগান্ডা সফরে গিয়ে দেশটির কৌশলের প্রশংসা করেছেন। তবে, জাতিসংঘের এই স্বাস্থ্য সংস্থা শুক্রবার সতর্ক করে জানায়, প্রতিবেশী গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে এই প্রাদুর্ভাব নতুন নতুন এলাকায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন