প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘কাভিশ’ সম্প্রতি একটি কনসার্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করেছিল। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে ‘কাভিশ লাইভ ইন ঢাকা’ শিরোনামে এই কনসার্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, তবে শেষ মুহূর্তে সেটি স্থগিত করা হয়েছে। এই কনসার্টে পাকিস্তানি ব্যান্ডটির সঙ্গে বাংলাদেশের দুই জনপ্রিয় ব্যান্ড শিরোনামহীন ও মেঘদলেরও পারফর্ম করার কথা ছিল।
নিরাপত্তাজনিত কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আয়োজক প্রতিষ্ঠান প্রাইমওয়েভ কমিউনিকেশনস জানায়, প্রয়োজনীয় অনুমোদন না পাওয়ার কারণে আপাতত কনসার্টটি স্থগিত করা হয়েছে। ১০ মাস আগে একই কারণে কাভিশের ঢাকা কনসার্টও স্থগিত হয়েছিল।
এদিকে, আজ শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় আরও একটি আন্তর্জাতিক কনসার্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সেটিও স্থগিত করা হয়েছে। এই আয়োজনে পাকিস্তানের আলী আজমত, মুস্তাফা জাহিদ ও ব্যান্ড জালের পাশাপাশি বাংলাদেশের জেমস, নেমেসিস ও লেভেল ফাইভের পারফর্ম করার কথা ছিল।
নিরাপত্তাজনিত কারণে পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে অনুষ্ঠেয় এই কনসার্টটি স্থগিত করেছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স রিপাব্লিক। ফলে সাম্প্রতিক বছরে দেশে একাধিক আন্তর্জাতিক কনসার্ট স্থগিত হওয়ার ঘটনা ঘটছে। এই পরিস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের বিষয়টি সামনে এনে প্রশ্ন তুলেছেন মাইলসের অন্যতম সদস্য ও সংগীতশিল্পী হামিন আহমেদ।
নিজের ফেসবুকে কনসার্ট স্থগিতের একটি সংবাদের ফটোকার্ড শেয়ার করে হামিন লিখেছেন, ‘কোনো একপেশে বিষয় কখনো টেকে না। এটি পারস্পরিক হতে হবে, নয়তো একেবারেই না! আমাকে বলুন, আজ পর্যন্ত বা এমনকি গত ৫ বছরে কতজন বাংলাদেশি শিল্পী বা ব্যান্ড পাকিস্তানে গিয়ে পারফর্ম করেছে? এটি বললেই আপনারা বুঝতে পারবেন আমি ঠিক কী বোঝাতে চাচ্ছি।
এমনকি ভারতের ক্ষেত্রেও পারস্পরিক আদান-প্রদান খুবই কম! এভাবে চলতে পারে না। শিল্প ও সংস্কৃতি কখনোই একপেশেভাবে বিকশিত হতে পারে না। বিপরীত দিকের দরজা যখন বন্ধ, তখন বাংলাদেশেরও নিজের দরজা খুলে দেওয়ার কোনো কারণ নেই।’
পোস্টের শেষাংশে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এই কিংবদন্তি শিল্পী। তিনি লিখেছেন, ‘পূর্ণাঙ্গ অনুমতি হাতে পাওয়ার আগেই ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিগুলোকে কীভাবে টিকিট বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়? বারবার কীভাবে এমনটা ঘটে? এর পেছনে আরও অনেক কারণ রয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের খতিয়ে দেখা অত্যন্ত জরুরি।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন