প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশকে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে একটি শক্তিশালী অবস্থান নিতে চায়। দলটি বাংলাদেশের পাশাপাশি অন্যান্য মুসলিম দেশগুলোকে এই জোটে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তুলেছে। জামায়াতের বক্তব্য, ফিলিস্তিন ইস্যুকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে এই জোটে ইরানসহ অন্যান্য মুসলিম দেশগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
সম্প্রতি করাচীতে অনুষ্ঠিত বিশাল গাজা মার্চে জামায়াতের আমির হাফিজ নাঈম মুসলিম বিশ্বের বৃহত্তর ঐক্য গড়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, এই প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত গাজাসহ পুরো ফিলিস্তিনে ইসরাইলের হামলা চিরতরে বন্ধ করা।
গত আগস্টে পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা ডিফেন্স এলায়েন্স’ চুক্তি সত্ত্বেও ইসরাইল যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় ফিলিস্তিনে হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে, এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
হাফিজ নাঈম আরও বলেন, কেবল ফিলিস্তিন বা গাজাই নয়, কাশ্মীরের নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায় এবং আল-আকসা মসজিদকে মুক্ত করার জন্য মুসলিম উম্মাহকে সব ধরনের ভেদাভেদ ভুলে একত্রিত হতে হবে। শিয়া-সুন্নী কিংবা ভৌগোলিক দূরত্বের বিষয়টি উপেক্ষা করে একসঙ্গে লড়াই করার সময় এসেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ফিলিস্তিনিদের সাহসিকতার প্রশংসা করে তিনি জানান, জনগণের ভালোবাসা নিয়ে তাদের দল ও সাহায্য সংস্থা ‘আল-খিদমাত’ ইতোমধ্যে ফিলিস্তিনের মানুষের জন্য ১০ বিলিয়ন বা এক হাজার কোটি টাকার বেশি ত্রাণ পাঠিয়েছে।
গাজার জনগণের প্রতি সংহতি জানিয়ে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহজুড়ে বিশেষ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন তিনি। একইসঙ্গে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ও উচ্চ করের বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার করতে আগামী ৭ অক্টোবরের পর দলের পরবর্তী রাজনৈতিক কৌশল জানানো হবে বলেও উল্লেখ করেন জামায়াতের প্রধান।
সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন