প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পিরোজপুরের কাউখালীতে, আমরাজুরী ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডে কৃষক কার্ড হালনাগাদের লক্ষ্যে কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন কৃষি অধিদপ্তরের পিরোজপুরের উপপরিচালক সৌমিত্র সরকার। বুধবার দিনব্যাপী উপজেলা আমরাজুরীর আমরাজুরী, গন্তব্য ও রোঙ্গাকাঠি—এই তিনটি ওয়ার্ডে চলমান তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম তিনি পরিদর্শন করেন।
কৃষি বিভাগের সূত্রে জানা যায়, ওই তিনটি ওয়ার্ডে মোট ৯৪৩টি কৃষক পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের তথ্যভান্ডার হালনাগাদ করা হবে, যা নিশ্চিত করবে যে সরকারি কৃষি প্রণোদনা, ভর্তুকি, বীজ, সার এবং অন্যান্য সেবা কৃষকদের কাছে আরও সহজে পৌঁছায়।
তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তা ও মাঠ পর্যায়ের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ করছেন। এই সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার প্রদীপ কুমার হালদার, উপসহকারী কৃষি অফিসার মাইনুল হুদা রোমান, সৈয়দ ফাহিম, সাকায়েত হোসেন তুহিন, রফিকুল ইসলাম, কেয়া সিকদার এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এছাড়াও উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সভাপতি মোঃ ফারুক হোসেন ও কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিলও উপস্থিত ছিলেন।
কৃষক গৌতম বড়াল বলেন, "কৃষি কর্মকর্তারা আমাদের বাড়িতে এসে জমি, ফসল ও চাষাবাদের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেছেন। এতে প্রকৃত কৃষকদের সঠিক তালিকা তৈরি হবে এবং ভবিষ্যতে সরকারের সুবিধা পেতে আমাদের সুবিধা হবে।" কৃষক নারায়ণ মণ্ডল বলেন, "আগে অনেক সময় তথ্যের অসঙ্গতির কারণে বিভিন্ন সহায়তা থেকে বঞ্চিত হতে হতো। এবার বাড়িতে এসে তথ্য নেওয়ায় আমরা আশাবাদী, প্রকৃত কৃষকরাই সরকারি সুবিধা পাবেন।"
উপজেলা কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস বলেন, "কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে কৃষকদের একটি নির্ভুল ডাটাবেজ তৈরি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সরকারি কৃষি সহায়তা ও প্রণোদনা বিতরণ আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর হবে।" কৃষি অধিদপ্তর, পিরোজপুরের উপপরিচালক সৌমিত্র সরকার বলেন, "কৃষকদের সঠিক তথ্য সংরক্ষণ বর্তমান সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ যেন নির্ভুল ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়, সেদিকে আমরা নিবিড়ভাবে তদারকি করছি। সরকারের কৃষিবান্ধব কর্মসূচির সুফল প্রকৃত কৃষকদের কাছে পৌঁছে দিতেই এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন