প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিদেশি গোয়েন্দা তৎপরতা মোকাবিলা করার জন্য আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি সোমবার স্বীকার করেছে জাপান।
এর একদিন আগে নিউইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, জাপানকে ‘গুপ্তচরদের আখড়া’ ও অস্ত্রের যন্ত্রাংশ সংগ্রহের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে রাশিয়া পরিণত করেছে।
টোকিও থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি জানায়।
রোববার প্রকাশিত নিউইয়র্ক টাইমসের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ‘দুর্বল গুপ্তচরবৃত্তি-বিরোধী আইনের’ সুযোগ নিয়ে জাপানকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও ইউক্রেন যুদ্ধে প্রয়োজনীয় দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি সংগ্রহের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রেরূপে ব্যবহার করছে মস্কো।
জাপানের প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মিনোরু কিহারা সোমবার বলেন, ‘দ্রুত পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা পরিবেশে আমরা উপলব্ধি করছি, জাপানের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহের মতো বিদেশি গোয়েন্দা তৎপরতা আরও কার্যকরভাবে মোকাবিলা করার প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।’
যুক্তরাষ্ট্রের ওই সংবাদপত্রের প্রতিবেদন সম্পর্কে সরাসরি মন্তব্য করতে অস্বীকার করে কিহারা সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের আরও কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে হবে।’
ইউক্রেন সরকারের হিসাবের ভিত্তিতে প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ার ব্যবহৃত ৯০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনে জাপানি যন্ত্রাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে।
এতে আরও জানানো হয়, জাপানে রাশিয়ার এই কার্যক্রম পরিচালনা করছেন রুশ গোয়েন্দা কর্মকর্তা মাকসিম দিমিরোভিচ ফিলচেনকভ। তিনি টোকিওতে রাশিয়ার বিমান সংস্থা অ্যারোফ্লটের কার্যালয়ে আড়ালের পরিচয়ে কাজ করছেন।
রাশিয়ায় সরাসরি রপ্তানিতে বিধিনিষেধ থাকায়, বিভিন্ন সংগ্রহ নেটওয়ার্ক মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান এবং ভিয়েতনাম, উজবেকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মতো তৃতীয় দেশ ব্যবহার করে এসব যন্ত্রাংশ রাশিয়ায় পাঠানো হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
কিহারা আরও জানান, চলতি বছর জাপানের পার্লামেন্ট একটি আইন অনুমোদন করেছে। এর মাধ্যমে দেশটির বিচ্ছিন্ন গোয়েন্দা কার্যক্রমসমূহের সমন্বয়ের জন্য নতুন একটি জাতীয় সংস্থা গঠনের প্রক্রিয়া আরও সহজ হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন