প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আসন্ন জলবায়ু সম্মেলন কপ ৩১-এ বাংলাদেশের প্রস্তুতি ও অগ্রাধিকার নির্ধারণের উদ্দেশ্যে জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে একটি বৈঠক আয়োজন করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ, বাংলাদেশের বিশিষ্ট জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, গবেষক, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকে কপ ৩১-এর কর্মপরিকল্পনা, বাংলাদেশের অগ্রাধিকার এবং সম্মেলনের জন্য প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, কপ জলবায়ু কূটনীতির একটি বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব প্রশমন, অভিযোজন ও সহনশীলতা বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়।
তিনি ক্লাইমেট জাস্টিস এবং অ্যাকাউন্টিবিলিটি, লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড, জাস্ট ট্রান্সজিশন এবং গ্রিন গ্রোথ বিষয়ে বাংলাদেশের প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরেন।
জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং বৈশ্বিক আর্থিক তহবিলগুলো থেকে অনুমেয়, পর্যাপ্ত ও স্বচ্ছ অর্থছাড় নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া, সার্কুলার ইকোনমি ও পরিবেশবান্ধব শিল্পের সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা তিনি তুলে ধরেন। বিশেষভাবে, বাংলাদেশের টেকসই ও প্রাকৃতিক পচনশীল তন্তু পাটের সম্ভাবনা কপ ৩১-এ তুলে ধরা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সম্মেলনে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে তিনি সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখার আহ্বান জানান।
আলোচনায় জলবায়ু বিশেষজ্ঞগণ কপ ৩১-এর বিভিন্ন আলোচ্যসূচিতে তাদের মতামত ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশের অবস্থান সুসংহত করতে মতামত দেন।
উল্লেখ্য, আগামী ৯-২০ নভেম্বর তুরস্কের আনতালিয়ায় কপ-৩১ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আসন্ন এ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল উচ্চপর্যায়ের সেগমেন্ট এবং বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক আলোচনা অংশগ্রহণ করবে।
এছাড়া, সম্মেলনে প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে প্রাকৃতিক, পচনশীল ও টেকসই প্রাকৃতিক তন্তু হিসেবে বাংলাদেশের সোনালী আঁশ পাটকে তুলে ধরতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
পাটজাত পণ্য, সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি এবং এর বিপুল বাণিজ্যিক সম্ভাবনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার জন্য এ সম্মেলনে একটি বিশেষ প্যাভিলিয়ন স্থাপন করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন