প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশে কলেরার উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দুই দফায় মুখে খাওয়ার কলেরার টিকা দেওয়ার কর্মসূচির আওতায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পৃক্ত করার নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এই কার্যক্রমের প্রথম ডোজ দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে গত ২২ আগস্টে। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে সেকেন্ড ডোজ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
মাউশির নির্দেশনা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাতটি থানা এবং মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কিশোরগঞ্জ জেলার নির্দিষ্ট কয়েকটি উপজেলা এই কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত। এ টিকার আওতায় এক বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সী জনগণের জন্য এটি প্রযোজ্য। ত্রাণ হিসেবে গর্ভবতী নারীরা এই কর্মসূচির আওতায় আসবেন না।
রোববার (২৩ আগস্ট) প্রকাশিত মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক মো. সাখাওয়াত হোসেন খানের সই করা একটি চিঠিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের এ কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মধ্যে গেন্ডারিয়া, কদমতলী, লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর, খিলক্ষেত, তেজগাঁও ও শেরেবাংলা নগর থানায় টিকাদান কর্মসূচি পরিচালিত হবে। এ ছাড়া মুন্সিগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও নবীনগর এবং কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ, তাড়াইল ও হোসেনপুর উপজেলায় টিকা দেওয়া হবে।
মাউশি জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট উপজেলা ও থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে প্রধান শিক্ষকদের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক প্রচার চালানোর জন্য জেলা শিক্ষা অফিস ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের ফেসবুক পেজে মাউশির চিঠি এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রকাশ করতে বলা হয়েছে।
সহকারী উপজেলা ও সহকারী থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে যে, তাঁরা নিজেদের এলাকার বিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে টিকাদান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে চলছে কিনা তা তদারক করবেন। জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যাতে দৈবচয়নের ভিত্তিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করে কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন।
শিক্ষকদের এই টিকাদান কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে বলা হয়েছে। অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে শিক্ষকেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন এবং টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করা, টিকাদান কেন্দ্রে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে শিক্ষার্থীদের নিয়োজিত করা এবং অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের টিকা নিতে উদ্বুদ্ধ করার দায়িত্বও শিক্ষকদের দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের টিকাদানের জন্য নিবন্ধনে সহযোগিতা করতে হবে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা এবং যারা নিবন্ধন করতে পারবে না, তাদের নিবন্ধনে সহায়তার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আইসিটি বিভাগের শিক্ষকদের কাছে গিয়ে সাহায্য নিতে বলা হয়েছে।
এছাড়া টিকাদান কর্মসূচির বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন