প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অমীষা পটেলের বিয়ে নিয়ে আপাতত কোনও পরিকল্পনা নেই। যদিও এখন তার এই অবস্থান, অতীতে প্রেমের জন্য কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল তাঁকে। কেরিয়ারের স্বার্থে সম্পর্ক ছাড়তেও হয়েছে।
অমীষা সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে অনুরাগীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করেছেন। এক অনুরাগী তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিলেন, "কবে বিয়ে করছেন?" উত্তরে অমীষা লিখেছেন, "কখনও না। একা থাকতে দারুণ লাগছে। আমার জীবনে পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু মিলিয়ে প্রায় একশো মানুষ আছেন, যাঁদের ভালবাসা পাই। সেখানে এক জন পুরুষ এসে সব সমীকরণ বদলে দিক, সেটা চাই না।"
সে যাত্রায় প্রেমের জন্য কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল তাঁকে, কেরিয়ারের স্বার্থের জন্য ছাড়তেও হয়েছে সম্পর্ক। এক সাক্ষাৎকারে অমীষা জানিয়েছিলেন, অভিনয়ে আসার আগে এক শিল্পপতি পরিবারের যুবকের সঙ্গে তাঁর গভীর সম্পর্ক ছিল। সামাজিক অবস্থান, পারিবারিক পরিবেশ, শিক্ষাগত যোগ্যতা— সব দিক থেকেই সেই সম্পর্ক ছিল আদর্শ। কিন্তু সিনেমায় অভিনয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তাঁর সঙ্গী চাননি, তিনি জনসমক্ষে পরিচিত মুখ হয়ে উঠুন। তাই প্রেমের চেয়ে অভিনয়কেই বেছে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী।
অমীষা বলছেন, যিনি সত্যিই ভালবাসবেন, তিনি কখনও সঙ্গীর পেশাগত সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবেন না। জীবনে প্রেমের জন্য যেমন অনেক কিছু হারিয়েছেন, তেমনিভাবে কেরিয়ারের জন্যও অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতাই তাঁকে অনেক কিছু শিখিয়েছে।
তবে বিয়ের দরজা পুরোপুরি বন্ধ করে দেননি ‘কহো না পেয়ার হ্যায়’ ছবির অভিনেত্রী। তাঁর মতে, যোগ্য ব্যক্তি আসলে বিয়ে করতে আপত্তি নেই। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত পরিবারের কাছ থেকে এখনও বিয়ের প্রস্তাব আসে। এমনকি তাঁর চেয়ে অনেক কমবয়সিরাও ডেটের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেন। বয়স নয়, মানসিক পরিণতিই তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অমীষা কটাক্ষ করে বলেন, বয়সে বড় হলেও অনেকের বুদ্ধির পরিণতি অত্যন্ত হতাশাজনক।
প্রসঙ্গত, অতীতে নায়িকার নাম একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে জড়ালেও, চলচ্চিত্র পরিচালক বিক্রম ভট্টের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন