প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে বাদীর প্রবাসী ছেলে যে স্ত্রীর সঙ্গে এসআই মোস্তাফিজার রহমান অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন, সেই অভিযোগে বগুড়ার ধুনট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজার রহমানকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।
রোববার (১২ জুলাই) বগুড়ার পুলিশ সুপার মীর্জা সায়েম মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে প্রত্যাহার করার কথা জানানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ জুন ধুনট উপজেলার জোড়শিমুল গ্রামের এক নারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে তিনি দাবি করেন, ছেলেকে সৌদি আরবে পাঠানোর পর একই গ্রামের মাহমুদুল সরকার চুক্তি অনুসারে তার কাজের ব্যবস্থা করেননি। এই অভিযোগটির তদন্তভার দেয়া হয় এসআই মোস্তাফিজার রহমানকে।
তদন্তের জন্য তিনি একাধিকবার অভিযোগকারীর বাড়িতে গিয়েছিলেন। এ সময় অভিযোগকারীর প্রবাসী ছেলের স্ত্রীর সঙ্গে তার অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টিতে এলে পুলিশ সুপারের নির্দেশে ধুনট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শুকুর আলী ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেন।
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তদন্তের সময় এসআই মোস্তাফিজার রহমান ও ওই নারীর মধ্যে মোবাইল ফোনে আপত্তিকর কথোপকথনের একটি অডিও ক্লিপ পাওয়া গেছে। তদন্ত শেষে গত শুক্রবার (১০ জুলাই) পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শুকুর আলী পুলিশ সুপারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন। এর পরে রোববার (১২ জুলাই) এসআই মোস্তাফিজার রহমানকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়।
ধুনট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শুকুর আলী এ বিষয়ে বলেন, ‘এসআই মোস্তাফিজার রহমানকে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করার আদেশ পাওয়ার পর তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।’
পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, এসআই মোস্তাফিজার রহমান এর আগে বগুড়া সদর থানায় কর্মরত ছিলেন এবং সেখানেও তার বিরুদ্ধে নারী সংক্রান্ত অভিযোগ উঠেছিল। পরে প্রায় পাঁচ মাস আগে তাকে ধুনট থানায় বদলি করা হয়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত এসআই মোস্তাফিজার রহমানের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন