সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৪ এম
গত মাসের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার চার সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও নেপালে এখনো খোঁজ মেলেনি প্রায় ৬ হাজার মানুষের। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৪৫০ ছাড়িয়ে গেছে। খবর এনডিটিভির।
নেপাল-তিব্বত সীমান্ত এলাকার কাছে গত ২৬ আগস্ট এই বিধ্বংসী বন্যা শুরু হয়। ভোতেকোশি নদীর তীব্র স্রোত মুহূর্তের মধ্যে উত্তর ও মধ্য নেপালের ঘরবাড়ি, গাড়ি, রাস্তাঘাট এবং সেতু ভাসিয়ে নিয়ে যায়। এর ফলে দেশটির জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ার পাশাপাশি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত নেপাল পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উদ্ধার অভিযানে আরও মরদেহ পাওয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৪৫১ হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছে চিতওয়ান জেলায় (৩৬৭ জন)। এ ছাড়া রাসুয়ায় ২৩৬ জন, পূর্ব নাওয়ালপরাসিতে ২৩২ জন এবং পশ্চিম নাওয়ালপরাসিতে ২২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর বাইরে নুওয়াকোট, গোর্খা, ধাদিং ও তানাহু জেলা থেকেও বহু মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
এখনো চলছে উদ্ধারকাজ ও তল্লাশি
দুর্যোগের এক মাস পরও প্রায় ৬ হাজার নিখোঁজ মানুষের সন্ধানে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। নদীর তীরবর্তী এলাকা, পলিমাটি জমে থাকা স্থান এবং ক্ষতিগ্রস্ত জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোতে চিরুনি অভিযান চালানো হচ্ছে। রাসুয়ার একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে মাটি ও রডের জালের নিচ থেকে ১৭টি মরদেহ উদ্ধার করতে গ্যাস কাটার ও গ্রাইন্ডারের মতো ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়েছে।
তবে উদ্ধারকাজে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মরদেহ শনাক্তকরণ। পানিতে ভেসে থাকা অনেক মরদেহ পচে গলে যাওয়ায় বা খণ্ডিত হয়ে যাওয়ায় চেনার উপায় নেই। এ পর্যন্ত ডিএনএ নমুনা রেখে প্রায় ১ হাজার ৩০০ মরদেহ সাময়িকভাবে দাফন করা হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ১১০টি মরদেহ শনাক্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হয়েছে।
চরম দুর্ভোগে স্থানীয় বাসিন্দারা
বন্যার কারণে পুরো এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। ঘরবাড়ি হারিয়ে মানুষ এখন মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভাঙা সেতু ও রাস্তাঘাট মেরামতের কাজ শুরু করলেও নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় বাজারঘাট, স্কুল এবং চিকিৎসাসেবা পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের রাজধানীতে সম্ভাব্য বিক্ষোভের আশঙ্কায় নিরাপত্তার স্বার্থে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ইসলামাবাদের কয়েকটি সরকারি স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে।
নিরাপত্তার আশঙ্কায় সতর্কতা হিসেবে স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের ছুটির কথা জানিয়ে দেয়। জি-৭ সেক্টর এবং সিতারা মার্কেটের স্কুল ভবনগুলোতে পুলিশ সদস্যদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া সেখানকার এফ-৭/৩ সেক্টরের একটি সরকারি স্কুলেও ছুটি ঘোষণা করা হয়।
অন্যদিকে, ইসলামাবাদে সম্ভাব্য বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি ঠেকাতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন।
বিক্ষোভকারীরা যাতে শহরে ঢুকতে না পারে, সেজন্য প্রধান প্রধান সড়কে পরিখা খোঁড়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং শহরের রেড জোন পুরোপুরি সিল করে দেওয়া হয়েছে।
শহরের বিভিন্ন রাস্তায় ব্যারিকেড বা প্রতিবন্ধক তৈরি করতে খালি কন্টেইনারে মাটির বস্তা ভরার কাজ চলছে। যেকোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রাজধানীর প্রবেশ ও বের হওয়ার সব পয়েন্টে ব্যাপক নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, জ্বালানি তেলের ওপর অতিরিক্ত কর প্রত্যাহারের দাবিতে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ অভিমুখে ‘ট্রেন মার্চ’ কর্মসূচি শুরু করেছে দেশটির অন্যতম প্রধান ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী (জেআই)। রাজনৈতিক দলটির রাজধানী অভিমুখে লংমার্চ ঘিরে চরম উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে ইসলামাবাদে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রযুক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরে এবার দেশটির আদালতে ঐতিহাসিক ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি হয়েছে চীনের প্রযুক্তি জায়ান্ট হুয়াওয়ে। নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের একটি ফেডারেল আদালতে গত ৯ সেপ্টেম্বর এই বিচারকাজ শুরু হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রসিকিউটররা হুয়াওয়েকে একটি অপরাধমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের অভিযোগ, গত দুই দশক ধরে মার্কিন কোম্পানিগুলোর প্রযুক্তি চুরি, ব্যাংকগুলোর সঙ্গে প্রতারণা এবং ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল এই চীনা প্রতিষ্ঠানটি।
তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে হুয়াওয়ে জানিয়েছে, সাধারণ ব্যবসায়িক বিরোধ এবং কিছু কর্মীর ব্যক্তিগত ভুলকে পুরো কোম্পানির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হিসেবে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে মার্কিন সরকার। প্রায় তিন মাস ধরে এই বিচারকাজ চলার কথা রয়েছে।
হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে আনা প্রধান অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে মার্কিন কোম্পানিগুলোর সোর্স কোড ও রোবোটিক প্রযুক্তির মতো গোপনীয় ট্রেড সিক্রেট বা তথ্য চুরি করা। এ ছাড়া মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে ইরানে ব্যবসা পরিচালনা এবং আর্থিক লেনদেন গোপন করার অভিযোগও আনা হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে।
এমনকি ২০০৯ সালে ইরানের বিক্ষোভের সময় দেশটির কর্তৃপক্ষকে সাধারণ নাগরিকদের ওপর নজরদারি করতে হুয়াওয়ে সহায়তা করেছিল বলেও দাবি করেছেন প্রসিকিউটররা।
তবে টেলিকম সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক এই কোম্পানিটি জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এটি কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নয়, বরং স্বাভাবিক ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতা ও উদ্ভাবনের ফল।
অন্যদিকে, চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মার্কিন এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে এবং চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈধ অধিকার রক্ষায় বেইজিং সবসময় পাশে থাকবে বলে জানিয়েছে।
চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফরের ঠিক আগ মুহূর্তে এই বিচার শুরু হলো।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে টেলিকম ও ফাইভ-জি ছাড়িয়ে এই প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সেমিকন্ডাক্টরের ক্ষেত্র পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছে।
একপাশ থেকে যুক্তরাষ্ট্র যেমন উন্নত চিপ সরবরাহে কড়াকড়ি আরোপ করেছে, তেমনই চীনও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণকে কৌশলগতভাবে ব্যবহার করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বয়স বাড়ার সাথে সাথে নতুন বন্ধু তৈরি করা যেমন চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠে, তেমনি পুরনো বন্ধুদের সাথে দীর্ঘদিনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর তাদের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরায় স্থাপন করা কিছু ক্ষেত্রে আরও ভীতিকর হতে পারে।
তবে, যদি আপনি পুরনো বন্ধুর সাথে সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করতে চান, তাহলে ফ্লোরিডার থেরাপিস্ট জেফরি মেল্টজার কিছু সহজ উপায় উল্লেখ করেছেন।
সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা একটি পোস্টে, এই থেরাপিস্ট জানিয়েছেন, পুরনো সম্পর্কগুলো পুনরায় ঝালিয়ে নিলে ব্যক্তির মানসিক শান্তি বৃদ্ধি পায় এবং জীবনে থাকা মানুষগুলো নিজেদের মূল্যায়ন ও গুরুত্ব পাওয়ার অনুভূতি লাভ করে।
পুরনো যোগাযোগ পুনরুদ্ধার করে সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার ৫টি কার্যকর উপায় নিচে উল্লেখ করা হলো:
১. খেলার ছলে সময় কাটান
ছোটবেলায় আমাদের যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ছিল খেলাধুলা। বড় হওয়ার পরও এর ক্ষেত্রে খুব একটা পরিবর্তন ঘটে না।
বোর্ড গেম খেলা কিংবা কোনো খেলাধুলায় সময় কাটালে একটি উপভোগ্য অভিজ্ঞতা তৈরি হয়। এতে অর্থপূর্ণ কথোপকথন চালিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ থাকে না এবং সম্পর্কটি সহজ হয়ে ওঠে।
২. অভিন্ন আগ্রহকে কাজে লাগান
দুটি মানুষের মধ্যে নিকটতা তৈরির সবচেয়ে সহজ উপায় হলো একটি সাধারণ বা অভিন্ন আগ্রহ খুঁজে বের করা।
আপনাদের উভয়ের পছন্দের বিষয়গুলোকে আড্ডা বা কথোপকথনের সূচনা হিসেবে ব্যবহার করুন। এছাড়া, অন্যের পছন্দের বিষয়ের প্রতি আগ্রহ দেখান। যখন মানুষ অনুভব করে যে তাদের পছন্দের বিষয়গুলো আপনার কাছে গুরুত্ব পায়, তখন তারা আপনার কাছে আরও নিকটবর্তী অনুভব করে।
৩. উষ্ণতার ছোট ছোট মুহূর্ত তৈরি করুন
যদি কারো সাথে নতুন করে যোগাযোগ করতে চান, তবে তাদের প্রশংসা করুন বা ছোট একটি চিন্তাশীল কাজ করুন। এটি হয়তো সবসময় তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিদান পাবে না এবং সম্পর্ক পুরোপুরি পুনরায় গড়ে উঠবে না, তবে এটি সামনে থাকা ব্যক্তিকে আপনার কাছে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করাতে এবং যোগাযোগের একটি সুন্দর পথ তৈরি করতে সাহায্য করে।
৪. ইতিবাচক সম্পর্কের জন্য জায়গা তৈরি করুন
আমাদের জীবনে এমন কিছু মানুষ থাকে যারা অতিরিক্ত মানসিক শক্তি শুষে নেয়। যদি কেউ বারবার আপনার ব্যক্তিগত সীমারেখাকে সম্মান না করে, তবে অপ্রয়োজনীয় মেলামেশা কমিয়ে দিন।
এতে আপনি এমন মানুষের পেছনে সময় ও মানসিক শক্তি বিনিয়োগ করার সুযোগ পাবেন, যারা আপনার সাথে ভালো আচরণ করেন।
৫. বর্তমান মুহূর্তকে উপভোগ করুন
থেরাপিস্টের মতে, এটি সবচেয়ে সহজ মনে হলেও আমরা অনেকেই এই বিষয়টির সাথে সবচেয়ে বেশি সংগ্রাম করি—তা হলো ‘বর্তমান মুহূর্তে উপস্থিত থাকা’।
যখনই আপনি পুরনো কারো সাথে কথা বলবেন বা সময় কাটাবেন, মন দিয়ে তাদের কথা শুনুন এবং বর্তমান মুহূর্তটিকে উপভোগ করুন।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় বরিশাল নগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কেডিসি বেলস পার্কের সামনে স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির একটি চৌকস দল সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানে ৪৯ পিস ইয়াবাসহ মো. হৃদয় নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ তারিখ রাত সাড়ে ১১টার দিকে স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মিহির তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে নির্দিষ্ট এলাকায় নিয়মিত নজরদারি চালাচ্ছিলেন। এ সময় একটি রিকশায় করে দুই যুবক যাওয়ার সময় পুলিশের সন্দেহ হলে তাদের গতিরোধ করতে বলা হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুই যুবকের মধ্যে একজন দ্রুত দৌড়ে পালিয়ে যায়।
পরে পুলিশ অপর যুবক মো. হৃদয়কে আটক করে তল্লাশি চালায়। এ সময় তার দেহ তল্লাশি করে ৪৯ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে তাকে হেফাজতে নিয়ে স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে এমন কঠোর অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মিহির জানান, "আটক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি যে যুবক পালিয়ে গেছে, তাকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে আমাদের জোরালো তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।"
মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশের এমন ঝটিকা ও কঠোর অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। নগরীতে মাদকের শিকড় উৎপাটনে পুলিশের এমন আপসহীন ভূমিকা সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ