প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কল্যাণের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলেই তথ্য দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দেশের অর্থনীতির আগামী এক বছরের রূপরেখা তুলে ধরতে বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে যাওয়ার পথে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং মানুষের জীবনমানের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটের সব বিষয়গুলি নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের বাজেটের প্রেক্ষাপটও কিছুটা ভিন্ন রূপ ধারণ করেছে। দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে জাতীয় বাজেট উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে, যার ফলে জাতির প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা অনেক বেশি। সেই প্রত্যাশা, চিন্তা-ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ লক্ষ্যকে সামনে রেখে বাজেট প্রণয়নের চেষ্টা করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, যতটুকু সামর্থ্য রয়েছে, তার মধ্যেই এই বাজেট তৈরি করতে হয়েছে। একটি বিধ্বস্ত এবং ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে দেশকে স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে গিয়ে আগামীতে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য এই বাজেটে প্রচেষ্টাটি প্রতিফলিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এবারের বাজেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো দেশের সব নাগরিককে এর অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। জাতীয় এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সকলকে যাতে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া যায় এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল যেন সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছতে পারে, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপনের লক্ষ্য নিয়েই এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এই বাজেট বাস্তবায়নের জন্য চেষ্টা চলবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন