প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আর্জেন্টিনার নাম শুনলে, যাদের কথা মনে পড়ে তাদের মধ্যে অন্যতম লিওনেল মেসির প্রশংসা করা জো কোল। একসময় তিনি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে পাশ কাটিয়ে মেসিকে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে পরিপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন। তার মতে, মেসিই সেই ফুটবলার, যিনি ক্যারিয়ারে সম্ভাব্য সব সাফল্য অর্জন করে নিশ্চিন্ত হয়ে ঘুমাতে পারেন।
তবে সেমিফাইনালের আগে, কোল এবার ভিন্ন সুরে কথা বলছেন। তিনি মেসির প্রতি তার শ্রদ্ধা অটুট রেখেছেন, কিন্তু আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের সম্ভাবনা নিয়ে তিনি দারুণ আত্মবিশ্বাসী। কোল বলেন, 'আমরা জানি তাদের শক্তি কোথায়। কিন্তু আমার মনে হচ্ছে, আমরাই তাদের হারাব। ভেতর থেকে আমি সেটাই অনুভব করছি।'
জো কোলের আলোচনা শেষে ইংল্যান্ড ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক ডিফেন্ডার গ্যারি নেভিলও আলোচনায় যোগ দিয়েছেন। তবে তার আলোচনা কেন্দ্রবিন্দু হলেন মেসি না হয়ে, বরং আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের দুজন স্তম্ভ ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজ।
নেভিলের ভাষায়, এই জুটি যেন একই সাথে বিশ্বের 'সেরা' এবং 'সবচেয়ে বাজে' সেন্টার-ব্যাক জুটি। তিনি বলেন, 'এক মুহূর্তে ওরা এমন কিছু করবে, যা দেখে মনে হবে বিশ্বের সেরা ডিফেন্ডার। আবার পরের মুহূর্তেই এমন ভুল করবে, যা বিশ্বাস করা কঠিন।'
তবে তার সমালোচনার মাঝেও প্রশংসার সুর ছিল। নেভিলের মতে, রোমেরো ও মার্তিনেজের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তাদের লড়াকু মানসিকতা। তিনি বলেন, 'আপনার মনে হবে, ওরা যেন প্রতিপক্ষকে গোল উপহার দেবে। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখবেন, ওরাই হেডে বল ক্লিয়ার করছে, গুরুত্বপূর্ণ ট্যাকল করছে কিংবা গোল করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিচ্ছে। আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে চাপালেই ওদের মধ্যে অন্যরকম কিছু কাজ করে।'
নেভিলের মন্তব্যে যেমন সংশয় রয়েছে, তেমনই রয়েছে মুগ্ধতাও। আর আর্জেন্টিনা সমর্থকদের কাছে এই বৈপরীত্যই হয়তো রোমেরো-লিসান্দ্রোর সবচেয়ে বড় পরিচয়। ঝুঁকি নেওয়ার সাহস, আগ্রাসী মানসিকতা এবং যেকোনো মূল্যে দলকে রক্ষা করার সংকল্প—এই বৈশিষ্ট্যই তাদের আলাদা করে তোলে।
সেমিফাইনালের আগে মাঠের বাইরের লড়াইটাও কম জমজমাট নয়। একদিকে জো কোলের দৃঢ় বিশ্বাস, ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনাকে হারাবে। অন্যদিকে গ্যারি নেভিলের বিশ্লেষণ, যেখানে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগকে একই সঙ্গে প্রশংসা ও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন