প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সোকোতো রাজ্যে একটি নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ৪৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, দুর্ঘটনা ঘটার সময় নৌকাটিতে ৭০ জনেরও বেশি যাত্রী ছিলেন, যাদের অধিকাংশই শিশু ছিলেন।
এখনো ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
গতকাল বৃহস্পতিবার দেশটির পুলিশের মুখপাত্র আহমদ রুফাই বিবিসিকে জানিয়েছেন, গোরোনির গোরাউয়ের কাছে ৪৬টি মৃতদেহ পাওয়া গেছে। এই সময় ১৬ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে, তবে ১৫ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
রুফাই আরও বলেছেন, এলাকাটিতে পৌঁছানো কঠিন এবং নিরাপত্তা সংস্থা ও জরুরি পরিষেবাগুলো ঘটনাস্থল অভিমুখে যাচ্ছে।
এদিকে, একজন প্রত্যক্ষদর্শীর মাধ্যমে রয়টার্স জানাচ্ছে যে, নৌকায় থাকা শিশুরা খামারের মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে ভ্রমণ করছিল, যারা ধান কাটার কাজে যাচ্ছিলেন।
আরেকটি প্রত্যক্ষদর্শী জানান, তিনি একটি কমিউনিটি মসজিদের সামনে দাফনের জন্য রাখা ৫০টি মৃতদেহ দেখেছেন, যার মধ্যে অনেকগুলো মাদুর ও কাপড়ে মোড়ানো ছিল।
নাইজেরিয়ার জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থার মুখপাত্র ইজেকিয়েল মানজো বিবিসিকে বলেছেন, 'গোরাউ একটি অত্যন্ত দুর্গম স্থান।
দলটি সেই দুর্গম এলাকায় চলে গেছে।'
নাইজেরিয়ায় নৌকা দুর্ঘটনা একটি সাধারণ ঘটনা, আর এই মৃত্যুর জন্য প্রায়শই অতিরিক্ত যাত্রী, দুর্বলভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা নৌকা এবং নিরাপত্তা বিধি প্রয়োগে শিথিলতাকে দায়ী করা হয়। গত মাসে জিগাওয়া রাজ্যে একটি নৌকা উল্টে গিয়ে অন্তত পাঁচজন ডুবে মারা যান।
এর আগে গত জানুয়ারিতে জিগাওয়া থেকে ইয়োবে রাজ্যে কৃষক ও জেলেদের বহনকারী একটি নৌকা উল্টে গিয়ে অন্তত ২৬ জন ডুবে মারা যান।
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ২০০ জনেরও বেশি যাত্রী বহনকারী একটি নৌকা উল্টে যাওয়ার পর নাইজার নদী থেকে ৫৪ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
তথ্যসূত্র: বিবিসি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন