প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নামাজ ইসলামের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিধান। কেয়ামতের দিন প্রথম যার হিসেব নেয়া হবে, সেটি হল নামাজ। এটি আদায়ের জন্য রয়েছে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা। এসব নীতিমালা মেনে আদায় না করলে নামাজ কবুল হবে না।
অনেকে জানতে চান, শেষ বৈঠক না করে দাঁড়িয়ে গেলে করণীয় কী?
এর উত্তরে ফুকাহায়ে কেরাম বলেন, বৈঠক বা হাঁটুগেড়ে বসা নামাজের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। দুই রাকাতের নামাজের শেষে বৈঠক করা ফরজ, আর চার রাকাত ও তিন রাকাতের নামাজের প্রথম দুই রাকাতের পর বৈঠক করা ওয়াজিব এবং শেষ বৈঠক ফরজ। নামাজের প্রথম বৈঠকে তাশাহুদ পড়া ওয়াজিব, অপরদিকে শেষ বৈঠকে তাশাহুদ, দরুদ ও দোয়ায়ে মাসুরা পড়া সুন্নত।
যে কোনো ফরজ নামাজে যদি কেউ শেষ বৈঠক না করে তৃতীয়, চতুর্থ বা পঞ্চম রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে যেমন, ফজরের নামাজে দ্বিতীয় রাকাতের পর বৈঠক না করে তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে যাওয়াটা, মাগরিবের নামাজে তৃতীয় নামাজের পর বৈঠক না করে চতুর্থ রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে যাওয়া অথবা জোহর, আসর ও ইশার নামাজে চতুর্থ রাকাতের পর বৈঠক না করে পঞ্চম রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে যাওয়ার মতো কার্যক্রম, সেক্ষেত্রে সিজদায় যাওয়ার আগ পর্যন্ত যদি কেউ ভুল বুঝতে পারে, তাহলে তার করণীয় হবে ওই অবস্থান থেকে বৈঠকে ফিরে আসা এবং এই ভুলের কারণে সাহু সিজদার মাধ্যমে নামাজ শেষ করা।
যদি কেউ অতিরিক্ত রাকাতের সিজদা করে ফেলানোর আগে ভুল বুঝতে না পারে, তাহলে সাহু সিজদার মাধ্যমে ওই ভুলের প্রতিকার করা সম্ভব নয়। এ ধরনের ক্ষেত্রে ওই নামাজটি নফল হিসেবে আদায় হবে। সিজদায় গিয়ে বা সিজদার পর ভুল বুঝতে পারার মতো হলে, নামাজের করণীয় হচ্ছে যথা নিয়মে শেষ বৈঠকের মাধ্যমে ওই নামাজ নফল হিসেবে শেষ করা এবং ফরজ নামাজটি নতুনভাবে আদায় করা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন