প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২৬ বিশ্বকাপের শুরুতে তরুণ ফুটবলাররা আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। ট্রান্সফারমার্কেটে যাদের উচ্চমূল্যের কারণে আগেই বাড়তি প্রত্যাশা ছিল, তাদের পারফরম্যান্স এখন সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ফুটবল বিশ্বে স্পেনের লামিন ইয়ামাল, তুরস্কের আরদা গুলের, কেনান ইলদিজ—এই তরুণদের নিয়ে আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। তবে তাঁদের প্রথম ম্যাচের পারফরম্যান্স বলছে, প্রত্যাশা আর বাস্তবতার মধ্যে এখনও বিশাল ব্যবধান রয়ে গেছে।
২০০ মিলিয়ন ইউরো বজারমূল্যের লামিন ইয়ামাল ইনজুরি কাটিয়ে কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচে ৭০ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন। তবে তিনি ম্যাচে কোনো বড় প্রভাব ফেলতে পারেননি। স্পেনও গোলশূন্য ড্র করে পয়েন্ট হারিয়েছে। আগামী ২১ জুন সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ম্যাচে তাঁকে শুরু থেকেই মাঠে নামানো হতে পারে।
তুরস্কের আরদা গুলের প্রথম ম্যাচেই পুরো ৯০ মিনিট অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলেন। ৯৩ শতাংশ পাসিং অ্যাকুরেসিতে মাঝমাঠে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ রাখলেও, তিনি দলকে হার থেকে রক্ষা করতে পারেননি। দ্বাদশ ০ ব্যবধানে ম্যাচটি হেরে যায় তুরস্ক।
একই ম্যাচে আক্রমণভাগে খেলছেন কেনান ইলদিজ। তবে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী রক্ষণভাগ ভাঙতে তিনি ব্যর্থ হন। ফলে প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি এই তরুণ ফরোয়ার্ড।
তবে বিশ্বকাপের শুরুটা তরুণদের জন্য সহজ হয়নি। বাজারমূল্য যতই বড় হোক, বড় মঞ্চে নিজেকে প্রমাণ করা সবচেয়ে কঠিন—প্রথম ম্যাচগুলো সেটিই আবারও টের করিয়েছে।
তবুও টুর্নামেন্ট এখন শুরুর পর্যায়ে রয়েছে। সামনে আরও ম্যাচ বাকি থাকায় এই তরুণদের ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ইয়ামাল ও গুলের মত ফুটবলারদের কাছ থেকে এখনও বড় কিছু প্রত্যাশা করছে তাঁদের দল ও সমর্থকরা।
এই বিশ্বকাপ যে নতুন প্রজন্মের তারকা তৈরির মঞ্চ, তা ইতিমধ্যেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এখন দেখতে হবে, কে এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজের পরিচয় পরবর্তী সুপারস্টার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন