প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বলিভিয়ায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে চলায় দেশটির প্রেসিডেন্ট শনিবার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।
সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের সড়ক অবরোধ অপসারণের জন্য সেনাবাহিনী ও বুলডোজার মোতায়েন করা হয়েছে।
এসব অবরোধের কারণে দেশের স্বাভাবিক জনজীবন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
এটি নিয়ে খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
গত ছয় সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়ন, আদিবাসী সংগঠন ও কোকা চাষিদের গোষ্ঠী দেশজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে।
এই গোষ্ঠীগুলো শহরের সড়কে বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে পাথর, গাছের গুঁড়ি ও বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল করে দিয়েছে।
এসব অবরোধের ফলে দেশের বড় বড় শহরে জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এতে অর্থনীতিতে বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে এবং পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে গত দুই দশকের মধ্যে বলিভিয়ার প্রথম অ-সমাজতান্ত্রিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার হুমকি সৃষ্টি করেছে।
সংকট সমাধানের উদ্যোগ হিসেবে, শনিবার ভোরে টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ সতর্ক করে বলেন, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি সংকট মোকাবিলায় ৯০ দিনের জন্য দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।
জরুরি অবস্থার আওতায় বিক্ষোভ-সমাবেশের অধিকার সীমিত করা হয়েছে এবং দেশের অভ্যন্তরে সেনাবাহিনী মোতায়েনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এএফপির সাংবাদিকদের সংবাদ অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের ভাষণের কয়েক ঘণ্টা পর এল আলতো শহরে সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র পুলিশের বহর দেখা যায়। একই সঙ্গে বুলডোজার দিয়ে বিভিন্ন সড়ক অবরোধ অপসারণের কাজ শুরু করা হয়।
সেখানে অনেক বাসিন্দাকে নিরাপত্তা বাহিনীর এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানাতে দেখা গেছে।
এসময় এক ব্যক্তি একটি পিকআপ ট্রাকের পেছনে থাকা এক পুলিশ অফিসারের হাতে রুটিভর্তি একটি ব্যাগ তুলে দেন।
এএফপিকে ৩৯ বছর বয়সী দোকানদার কার্লা বুত্রোন বলেন, ‘আমি খুবই খুশি।’
তিনি আরও বলেন, গত প্রায় ৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে এল আলতোতে কাজকর্ম, স্বাভাবিক চলাচল সবকিছুই ব্যাহত ছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন