প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া অন্তর্বর্তীকালীন যুদ্ধবিরতি চুক্তি বর্তমানে গভীর সংকটে পড়েছে বলে জানা যাচ্ছে। মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকে বসার ব্যাপারে ইরানের অনীহার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আবার কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) একটি বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।
রয়টার্সের দেওয়া তথ্যমতে, বুধবার ভোরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ৫০ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৬৯ শতাংশ বেড়ে ৭৩ দশমিক ৪৫ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে, আমেরিকার ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ৬৩ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৯১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৭০ দশমিক ১৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি স্থাপনের আলোচনা বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগের কারণে মূলত তেলের বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকেরা জানাচ্ছেন, গত কয়েক দিনে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা তেলের বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তাদের সরাসরি সংলাপে বসার পরিকল্পনা থাকলেও তেহরানের আকস্মিক অনাগ্রহ এই চুক্তিটির ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় প্রশ্ন তৈরি করেছে। ফলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা সতর্ক অবস্থান নিতে বাধ্য হচ্ছেন।
এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত থামানোর ক্ষেত্রে বেশ কিছু অগ্রগতি হওয়ায় চলতি বছরের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রান্তিকের মধ্যে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি প্রায় ৪৫ ডলার কমে গিয়েছিল, যা ২০০৮ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট পরবর্তী সবচেয়ে বড় প্রান্তিক পতন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। একইভাবে ডব্লিউটিআই ক্রুডের দামও ব্যারেল প্রতি প্রায় ৩১ ডলার কমে গিয়েছিল, যা ২০২০ সালের করোনা মহামারির পর বাজারে সর্বোচ্চ পতন হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। তবে বর্তমানে কূটনৈতিক অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হলে তেলের বাজার আরও অস্থির হয়ে উঠতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন