প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে গবেষণার জন্য ফেলোশিপ অর্জন করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী ইকবাল হোসেন। তিনি ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং মাস্টার্স পর্যায়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র শিক্ষার্থী হিসেবে এই ফেলোশিপ লাভ করেছেন।
আইসিটি খাতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মাস্টার্স পর্যায়ে ‘A Generalizable Semi-Supervised Deep Learning Framework for Medical Image Segmentation Using Frequency Dynamic Convolution and Multi-Modal MRI’ শীর্ষক গবেষণার জন্য তাকে মনোনীত করা হয়েছে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে গবেষণার জন্য ফেলোশিপ (সংশোধিত) নীতিমালা-২০১৬ অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে গবেষণার জন্য ফেলোশিপ-বৃত্তি, উদ্ভাবনীমূলক কাজে উৎসাহ প্রদানে অনুদান এবং বিশেষ অনুদানের জন্য যোগ্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। এই প্রক্রিয়ায় ইকবাল তার প্রস্তাবিত গবেষণার বিষয়, উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা উপস্থাপন করে বাছাই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেন। পরে চূড়ান্ত মনোনয়নের জন্য প্রেসেন্টেশনে অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে বাছাই কমিটির সুপারিশ ও অ্যাওয়ার্ড কমিটির সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে তাকে ফেলোশিপের জন্য মনোনীত করা হয়।
নীতিমালা অনুযায়ী, মাস্টার্স পর্যায়ের গবেষণার জন্য ইকবাল মাসিক ২৫ হাজার টাকা ভাতা পাবেন। এছাড়া গবেষণার আনুষঙ্গিক খরচ বাবদ সর্বোচ্চ এককালীন ৩০ হাজার টাকা এবং তার থিসিস তত্ত্বাবধায়ক পৃথকভাবে এককালীন ৪০ হাজার টাকা সম্মানী পাবেন। ফেলোশিপের সর্বোচ্চ মেয়াদ এক বছর ছয় মাস এবং গবেষণার অগ্রগতি সন্তোষজনক হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এটি নবায়নের সুযোগ থাকবে।
এ বিষয়ে অনুভূতি প্রকাশ করে ইকবাল হোসেন বলেন, "মাস্টার্স পর্যায়েই এমন একটি গবেষণা ফেলোশিপের জন্য মনোনীত হওয়া আমার জন্য অনেক আনন্দের। এটি গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার আত্মবিশ্বাস ও উৎসাহ বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে দায়িত্বও বেড়েছে। যে গবেষণার পরিকল্পনা নিয়ে এ সুযোগ পেয়েছি, তা যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে চাই।"
তিনি আরও বলেন, "এ অর্জনে আমার শিক্ষকদের অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি। সামনে আরও অনেক কিছু শেখার আছে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে মানসম্মত গবেষণা করতে চাই, যেন আমার কাজ ভবিষ্যতে মানুষের উপকারে আসে। গবেষণার ফলাফল মানসম্মত সম্মেলন বা জার্নালে প্রকাশের উপযোগী করে তোলাও আমার লক্ষ্য।"
ফেলোশিপের আওতায় গবেষণার অগ্রগতি নিয়মিতভাবে মূল্যায়ন করা হবে। এ জন্য প্রতি ছয় মাস অন্তর তত্ত্বাবধায়কের মাধ্যমে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। ফলে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী গবেষণার কাজ এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবেন তিনি।
প্রসঙ্গত, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের এ ফেলোশিপ কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য হলো তথ্যপ্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় উৎসাহ প্রদান এবং দক্ষ গবেষক তৈরি করা। মাস্টার্স পর্যায়ে থিসিসভিত্তিক গবেষণায় যুক্ত শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচির আওতায় আর্থিক সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পেয়ে থাকেন শিক্ষার্থীরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন