প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
খেলার শেষ মুহূর্তের উত্তেজনা একে বলা হয়! ৯০ মিনিট পর্যন্ত ২ গোলে পিছিয়ে থেকে হারের আশঙ্কায় ছিল প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। কিন্তু যোগ করা সময়ে ঘটে যাওয়া অবিশ্বাস্য দুই গোল যেন পুরো ম্যাচের চিত্রই পাল্টে দিল।
শেষ বাঁশির আগে অধিনায়ক মার্কিনিয়োসের হেডে লিলেকে ২-২ ব্যবধানে রুখে দেয় বর্তমান ফরাসি ও ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা।
লিলের মাঠ স্তাদ পিয়ের-মোরায়তে ম্যাচের শুরু থেকেই লড়াইটি বেশ জমে উঠেছিল। শুরুতেই আশরাফ হাকিমির একটি প্রচেষ্টা পোস্টে লেগে ফিরে আসলে প্যারিসিয়ানদের লিড নেওয়া সম্ভব হয়নি। বরং ২৪ মিনিটে অলিভিয়ের জিরুর চোখধাঁধানো রিভার্স পাস থেকে জোরালো শটে লিলেকে এগিয়ে দেন আইসল্যান্ডের মিডফিল্ডার হাকোন হারাল্ডসন।
দ্বিতীয় অর্ধে পিএসজির হয়ে খভিচা কাভারেস্খেইয়া ও নবাগত মিকা গটস মাঠে নামলেও তাদের কার্যকরী ভূমিকা ছিল না। ৮৪ মিনিটে নটিংহ্যাম ফরেস্ট থেকে ধার নেওয়া দিলাইনে বাকওয়ার দুর্দান্ত কার্লিং শটে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে জয় অনেকটাই নিশ্চিত করে ফেলে স্বাগতিকরা।
তবে লুইস এনরিকের শিষ্যরা হার মানতে নারাজ! ৯০ মিনিট শেষের পর যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে ভিতিনিয়ার দৃষ্টিনন্দন এক দূরপাল্লার শট প্রাণ ফেরায় পিএসজি শিবিরে। এরপর ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে এই পর্তুগিজের ক্রস থেকে গোল বারের উঁচুতে লাফিয়ে দারুণ এক হেডে বল জালে জড়ান অধিনায়ক মার্কিনিয়োস।
লিলের গ্যালারি স্তব্ধ হয়ে যায়, অন্যদিকে পিএসজি উল্লাসে মেতে ওঠে।
নতুন কোচ দাভিদ আনচেলত্তির অধীনে শেষ মুহূর্তের এই গোল লিলের জন্য নিঃসন্দেহে এক চরম নির্মম অভিজ্ঞতা। ব্রাজিল জাতীয় দলের সঙ্গে মার্কিনিয়োসের কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকা এই ইতালিয়ান কোচের জয় উদযাপনের জন্য গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন তার বাবা ও ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি।
ম্যাচ শেষে স্বস্তির হাসি নিয়ে পিএসজি দলপতি মার্কিনিয়োস বলেন, ‘পিএসজির বিপক্ষে ম্যাচ কখনোই শেষ বাঁশি বাজার আগে শেষ হয় না। আমাদের মূল ইতিবাচক দিক হলো আমাদের মানসিকতা, পিছিয়ে পড়েও ফিরে আসার এই ক্ষমতা সামনের দীর্ঘ মৌসুমের জন্য ভালো বার্তা দিচ্ছে।
চলতি লিগ ওয়ানে এখনও জয়ের মুখ না দেখলেও এটি পিএসজির টানা দ্বিতীয় ম্যাচ যেখানে তারা দুই গোলে পিছিয়ে থেকে রোমাঞ্চকর প্রত্যাবর্তন ঘটালো। এর আগের ম্যাচে রেনের বিপক্ষে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেসের জোড়া গোলে ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল তারা।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা ধরে রাখার মিশনের আগে দলের এই লড়াকু মনোভাব কোচ লুইস এনরিকেকে বেশ স্বস্তি দিচ্ছে। তিনি জানান, ‘মৌসুমের এই শুরুতেই আমরা ১০০ শতাংশ ফর্মে পৌঁছে গেলে তা বরং ঝুঁকিপূর্ণ হতো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন