প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি শনিবার চট্টগ্রামে আয়োজিত কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। ছবি: বাসস
চট্টগ্রাম, ২ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : যৌতুক এবং মাদককে সমাজের জন্য ভয়ংকর সামাজিক ব্যাধি উল্লেখ করে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি বলেছেন, সমাজকে যৌতুক এবং মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে হলে এ পরিবর্তনের সূচনা নিজের ঘর ও পরিবার থেকেই শুরু করতে হবে।
শনিবার রাতের চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহরে এলজিইডি ভবন মিলনায়তনে আঞ্জুমানে রজরিয়া ট্রাস্টের উদ্যোগে আয়োজিত ‘যৌতুক ও মাদক মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় আমাদের করণীয়’ শীর্ষক কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মীর হেলাল উদ্দীন বলেছেন, আমরা ধর্ম ও মানবিকতার কথা বলি, কিন্তু অন্যদিকে বিয়েতে যৌতুক ও অতিরিক্ত বরযাত্রীর অজুহাতে কন্যাপক্ষকে চাপের মুখে ফেলি, যা সত্যিই দুঃখজনক।
তিনি উল্লেখ করেছেন, যৌতুকের কারণে প্রতিনিয়ত আমাদের আশেপাশেই নারীরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। যদি আমরা নিজেদের মেয়ের সঙ্গে যে সম্মানজনক ও মানবিক আচরণ করি, সেভাবে ছেলে স্ত্রীর সঙ্গেও যদি করি, তবে সমাজ থেকে যৌতুকের নিপীড়ন চিরতরে দূর হবে। যে ভালো কাজ আমরা অন্যদের করতে বলি, তা আমাদের পরিবারের অভ্যন্তরেও বাস্তবায়ন করতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেছেন, মাদক সমাজকে সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খল ও ধংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিগত ১৭ বছরে আমাদের নীতি, নৈতিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধের যে চরম অবক্ষয় হয়েছে, তা থেকে বের হয়ে আসার জন্য সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা ছাড়া কোনো উপায় নেই।
তিনি জানিয়েছেন, পাড়া, মহল্লা এবং গ্রামে অপরাধীদের পরিচয় গোপন থাকে না। এমনকি যদি নিজের সন্তানও মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে, তাকেও আইনের হাতে তুলে দিতে হবে।
তিনি পরবর্তীতে বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ইউটিউব, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম), বেতার-টেলিভিশন এবং পথনাটক মাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচার বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে আলেম-ওলামাগণ ওয়াজ মাহফিল এবং শুক্রবারের খুতবায় যৌতুক ও মাদকের ভয়াবহতা বিষয়ক আলোচনা করে জনমত গড়ে তোলার চেষ্টা করতে পারেন।
তিনি জোর দিয়ে আরও বলেছেন, সমাজকে কলুষমুক্ত করতে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি প্রসারিত করে ধর্মীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে সকলকে সম্মিলিতভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন