প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ম্যানচেস্টার সিটি দলবদলের বাজারে একটি বড় চমক সৃষ্টি করেছে। ইংলিশ ক্লাবটি চেলসি থেকে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজকে ১২৫ মিলিয়ন পাউন্ডে দলে ভিড়িয়েছে। ২৫ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার পাঁচ বছরের চুক্তিতে সিটিতে যোগ দিয়েছেন।
এনজোর এই দলবদল প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ট্রান্সফার ফির রেকর্ডে স্থান করে নিয়েছে। এর আগে নিউক্যাসল ইউনাইটেড থেকে আলেক্সান্ডার ইসাককে একই অঙ্কে লিভারপুলে নেওয়া হয়েছিল। ফলে এনজো ইসাকের সঙ্গে যৌথভাবে প্রিমিয়ার লিগের সবচেয়ে দামি ট্রান্সফারের রেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন।
২০২২ সালে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে এনজো ছিলেন। পরবর্তী বিশ্বকাপেও জাতীয় দলের জার্সিতে তাকে মাঠে দেখা গেছে। এবার ক্লাব ফুটবলে নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে ম্যানচেস্টার সিটিতে পাড়ি জমালেন তিনি।
সিটিতে যোগ দিয়ে এনজো তার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। এত বড় একটি ক্লাবের অংশ হতে পেরে তিনি আনন্দিত। দলের সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে নিজের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটা দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
তবে চেলসিতে এনজোর শেষ সময়টি মোটেও স্বস্তির ছিল না। মৌসুম শুরুর আগে প্রস্তুতি ম্যাচ এবং ফুলহ্যামের বিপক্ষে লিগের প্রথম ম্যাচে সমর্থকদের দুয়ো শুনতে হয়েছিল তাকে। পরে নতুন কোচের অধীনে কারাবাও কাপের দলে থেকেও বাদ পড়েন এই আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার।
এদিকে, চেলসিতে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন এনজো। গত মৌসুমের শেষদিকে চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে চেলসি বিদায় নেওয়ার পর ক্লাবে তার থাকা না-থাকা নিয়ে তিনি নিশ্চিত ছিলেন না বলেও জানিয়েছিলেন।
এরপর স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করায় এনজোর সঙ্গে রিয়াল মাদ্রিদের সম্ভাব্য যোগসূত্র নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত, তবে রিয়াল নয়, তাকে দলে পাওয়ার দৌড়ে জয়ী হয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি।
চেলসির সঙ্গে এনজোর সম্পর্ক শুরু হয়েছিল ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে। বেনফিকা থেকে প্রায় ১০৭ মিলিয়ন পাউন্ডে তাকে দলে নিয়েছিল লন্ডনের ক্লাবটি। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে আরও বড় অঙ্কে সেই এনজোকেই বিক্রি করল চেলসি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন