প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
খাগড়াছড়িতে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলেও বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে, বন্ধ থাকা তিনটি সড়কের মধ্যে দুটি সড়কে স্বাভাবিকভাবে যান চলাচল শুরু হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত খাগড়াছড়ি পৌর শহরের বাসিন্দারা এখন বাড়িঘরে ফিরতে শুরু করেছেন। তবে, বাড়িঘরে কাদামাটি জমে যাওয়ার কারণে তারা দুর্ভোগে পড়ছেন। দীঘিনালায় মাইনি নদীর পানি কিছুটা কমেছে। এর মধ্যে, নিম্নাঞ্চলে এখনো পানি জমে রয়েছে। ঝুঁকিতে থাকা পানিবন্দি মানুষের কাছে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া, জেলা পরিষদ, জেলা প্রশাসন, বিজিবি, সেনাবাহিনী ও বিএনপির পক্ষ থেকে বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা দীঘিনালায় ত্রাণ বিতরণ করছেন।
ইতিমধ্যে খাগড়াছড়ির সঙ্গে রাঙামাটি ও মহালছড়ির সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়ে গেছে। তবে, দীঘিনালার সঙ্গে লংগদু উপজেলার যোগাযোগ এখনও বন্ধ রয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পুরো জেলায় এখনো ১৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা রয়েছে। তবে, এখনও পর্যন্ত কোথাও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন