প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাঙ্গামাটি শহরের অন্যতম বৃহৎ আসামবস্তি হিন্দু-বৌদ্ধ কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানের দীর্ঘদিনের পানিসংকট নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছেন পার্বত্য বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শ্মশানের সমস্যা নিয়ে প্রকাশিত একটি স্ট্যাটাস নজরে আসার পর তিনি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
জানা যায়, শ্মশানটির সংস্কার ও পানির সংকট নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রতিমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হয়। পরে তিনি জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ সাব্বিরসহ সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা দেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও শ্মশান পরিচালনা কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে সেখানে একটি গভীর নলকূপ (ডিপ টিউবওয়েল) স্থাপন করা হয়।
এর ফলে মৃতদেহ সৎকারের সময় দীর্ঘদিনের পানির অভাবজনিত ভোগান্তি অনেকাংশে দূর হবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
শ্মশান কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, গত ১৭-১৮ বছরে শ্মশানটির উন্নয়নে তেমন কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এমনকি প্রবেশ সড়কের অবস্থাও দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ছিল। তারা বলেন, একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসকে গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল যে মানবিকতা ও আন্তরিকতার পরিচয় দিয়েছেন এবং দ্রুত গভীর নলকূপ স্থাপনের ব্যবস্থা করেছেন, তা প্রশংসনীয়। পাশাপাশি তিনি শ্মশানের অন্যান্য প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ সম্পন্নের আশ্বাসও দিয়েছেন।
জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ সাব্বির বলেন, “পাহাড়ের মানুষের সমস্যা ও চাহিদার বিষয়ে ব্যারিস্টার মীর হেলাল সবসময় সচেতন। তার নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা দ্রুত স্থানীয়দের সঙ্গে সমন্বয় করে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করেছি। শ্মশানের আরও উন্নয়নমূলক প্রয়োজনীয়তা নিয়েও কাজ চলছে।”
শ্মশান কমিটির সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দা নয়ন ত্রিপুরা বলেন, “দীর্ঘ ১৫-১৬ বছর ধরে শ্মশানের তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি। পানির স্থায়ী ব্যবস্থা হওয়ায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতে আরও উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়িত হবে বলে আশা করছি।”
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দা, শ্মশান কমিটি এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলালের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও এমন জনকল্যাণমুখী উদ্যোগের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখা হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন আসামবস্তি হিন্দু-বৌদ্ধ কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানের সাধারণ সম্পাদক ও শিব মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি বাবলা মিত্র, মারমা সংস্কৃতি সংস্থার (মাসস) সাধারণ সম্পাদক নয়ন মার্মা, শ্মশান পরিচালনা কমিটির উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক বাবুল নাথ, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ সাব্বির, সাবেক সহ-সভাপতি খুরশিদ আলম রাজু, রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ ওমর মোরশেদ, সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক রনি দে প্রমুখ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন