প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকারের ছয় মাসের কার্যক্রম পর্যালোচনা করার পর মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল ও সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা জোরালো হয়েছে। সরকারের চলমান কার্যক্রম সামনে রেখে, কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা ছাড়াও নতুন কিছু শরিক নেতাদেরও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার ব্যাপারে আলোচনা চলছে। সম্ভাব্য তালিকায় বিএনপির একাধিক নেতা ও জোট শরিক দলের নেতাদের নাম রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, মন্ত্রিসভায় রদবদল ও সম্প্রসারণসহ ৬ থেকে ৭ জনের জায়গা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র সুত্রে জানা যায়, বিএনপির সিনিয়র নেতাদের এবং জোটের নেতাদের মধ্যে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া মন্ত্রিসভায় বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের এমপি মোহাম্মদ শামীম কায়সারের নাম মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির আলোচনা চলছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের জন্য ৫ থেকে ৬টি গাড়ি, শপথের ফোল্ডার, দাওয়াতপত্রসহ প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের পর নতুন সদস্যদের শপথগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়ে দিয়েছেন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ৫ থেকে ৬টি গাড়ি প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে। প্রস্তুতির মধ্যে পতাকার স্ট্যান্ডবাহী গাড়ি, নির্ধারিত চালক এবং প্রয়োজনীয় অন্য প্রস্তুতিও রয়েছে। নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে রদবদল হতে পারে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায়, তার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন হবে। আরও কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে পরিবর্তন আনার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী বিবেচনায় রেখেছেন।
এছাড়া শোনা যাচ্ছে বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থের মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মাহমুদুর রহমান মান্নাকে টেকনোক্রেট কোটায় মন্ত্রী করার বিষয়ে আলোচনা চলছে।
বিএনপির সিনিয়র নেতাদের মধ্যে স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এবং যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল মন্ত্রিসভায় অন্তভুক্ত হওয়ার বিষয়ে আলোচনা রয়েছে। এছাড়া স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সালাহউদ্দিন আহমদকে দেওয়া হতে পারে। সেই ক্ষেত্রে শহীদ উদ্দিন চৌধুরীকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা চলছে। এই দুই মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি আরও কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন