প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভেনিজুয়েলার উত্তর উপকূলীয় অঞ্চলে একটি মাস অতিক্রান্ত হয়েছে জোড়া ভূমিকম্পের পর। এই ভূমিকম্পটিতে স্বজনদের মরদেহ ও ট্র্যাজেডির উত্তর খোঁজা বেঁচে থাকা মানুষগুলোর জন্য এক কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত মাসে এই ভূমিকম্পে ৫,৩০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে এবং ১৬,৫০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।
সরকারি খাতায় এখনো নিখোঁজের সঠিক সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে এ সংখ্যা হাজার হাজার। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো নিজেদের হাতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পরিচিতদের অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করতে, কারণ বেশির ভাগ আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দল ইতিমধ্যে ফিরে গেছে।
লাস গুয়াইরা রাজ্যের কারাবালেদার ওপিপিই ২৬ নামক সরকারি আবাসন কমপ্লেক্স ভেঙে পড়ার কারণে বহু পরিবারের জীবন এক লহমায় তছনছ হয়ে গেছে। ৪৯ বছর বয়সী মৎস্যজীবী ভিক্টর ক্যালডেরন জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের সময় তিনি সমুদ্রে ছিলেন এবং ফিরে এসে জানতে পারেন যে তাদের ভবনে ২৬ জন স্বজন মারা গেছেন।
বর্তমানে সেখানে অস্থায়ী তাঁবুতে বহু পরিবার বসবাস করছে। উদ্ধারকর্মীরা প্রতিদিন নতুন মরদেহ উদ্ধার করে চলেছেন, যা স্থানীয় মানুষের মধ্যে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়িয়ে তুলছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশ্ন তুলছেন, ১০টি ভবন ধসেছে এর পেছনে ত্রুটিপূর্ণ নকশা, নিকৃষ্ট মানের উপকরণ নাকি কর্তৃপক্ষের অবহেলা রয়েছে?
অন্যদিকে, ভেনিজুয়েলার গণপূর্তমন্ত্রী হুয়ান হোসে রামিরেজ অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প বিপরীত দিক থেকে প্রায় একই সময়ে সংঘটিত হয়েছিল এবং এর কারণে ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে, যা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব ছিল না।
বিশ্বব্যাংকের প্রাথমিক হিসাবে এই জোড়া ভূমিকম্পে ১৯.৬ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝে এই বিপুল ক্ষতির পর পুরো অঞ্চল পুনর্বাসনে বছরের পর বছর সময় এবং শত শত কোটি ডলারের বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন