প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য তৈরি ১৯টি সর্বাধুনিক এলএইচবি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচের প্রথম চালানটি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেছে ভারতের কাপুরথালাস্থ রেলকোচ ফ্যাক্টরি (আরসিএফ)। বুধবার (১২ আগস্ট) ভারতের পাঞ্জাবে আরসিএফ কারখানায় এই নতুন রেকটি চালুর মাধ্যমে দুই দেশের রেল যোগাযোগের অংশীদারিত্বে নতুন একটি মাইলফলক যুক্ত হলো।
এই উন্মোচিত প্রথম রেকটিতে রয়েছে ৩টি এসি স্লিপার কার, ৩টি এসি চেয়ার কার, ১১টি নন-এসি চেয়ার কার ও ২টি পাওয়ার কার। বাংলাদেশের যাত্রী চাহিদা ও বিশেষ পরিবেশ বিবেচনা করে কোচগুলোতে প্রথমবারের মতো বেশ কিছু প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও আধুনিক সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে।
যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য বাড়াতে কোচগুলোতে রাখা হয়েছে স্টেইনলেস স্টিলের হাতল ও পাদানিসহ হেলান দেওয়া আধুনিক চেয়ার। এ ছাড়া নিরাপত্তায় সিসিটিভি ক্যামেরা, জরুরি অ্যালার্ম সিস্টেম, এসি কোচে অতিরিক্ত ফ্যান, সুবিধাজনক জানালা, বিশেষ প্রার্থনা কক্ষ ও শিশু পরিচর্যা কক্ষ (চাইল্ড কেয়ার রুম) রাখা হয়েছে।
প্রযুক্তিগত দিক থেকে কোচগুলোতে আনা হয়েছে একাধিক পরিবর্তন। উৎসব বা অতিরিক্ত যাত্রীচাপের সময়ে ছাদে যাত্রীদের অতিরিক্ত ভার সামলাতে এর ছাদের কাঠামো অনেক শক্তিশালী করা হয়েছে। পাশাপাশি ইউরোপীয় মানদণ্ড মেনে এটি ‘সংঘর্ষ-সহনশীল’ প্রযুক্তিতে নতুন করে তৈরি করা হয়েছে, যা ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি কমাবে। আগের ৭৫০ ভোল্টের পরিবর্তে এই কোচটি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ কাঠামোর উপযোগী করে ৪১৫ ভোল্ট সিস্টেমে চালনাযোগ্য করা হয়েছে।
এর আগে ২০১৫-১৬ সালে বাংলাদেশ রেলওয়েকে ১২০টি কোচ সফলভাবে সরবরাহ করেছিল বাংলাদেশের আরসিএফ। ওই সফল চুক্তির ওপর ভিত্তি করে ২০২৪ সালে ভারতীয় সংস্থা ‘রাইটস’-এর মাধ্যমে মোট ২০০টি নতুন কোচ তৈরির কার্যাদেশ দিয়েছিল বাংলাদেশ রেলওয়ে। আজকের ১৯টি কোচের এই চালানটি মূলত সেই চুক্তিরই প্রথম হস্তান্তর।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন