০৯:০২ এম
বিদায়ের মঞ্চে এর চেয়ে সুন্দর গল্প আর কী-ই বা হতে পারত! আর্জেন্টিনা ৩-০ গোলে জয়লাভ করেছে ম্যাচে। এই তিন গোলের প্রতিটিতেই লিওনেল মেসির অবদান ছিল। তিনি নিজে একটি গোল করেছেন এবং আরো দুইটি গোল করাতে সহায়তা করেছেন। গ্যালারিজুড়ে লাখো ভক্তের আবেগ, চোখে জল এবং প্রিয় ১০ নম্বর জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠে নামা। অধিনায়কের এই স্বপ্নের পারফরম্যান্সে বেনিনকে ৩-০ ব্যবধানে পরাজিত করে জয় দিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলের রঙিন মেসি অধ্যায় শেষ করল আর্জেন্টিনা।
বুয়েনস আইরেসের এস্তাদিও মনুমেন্টালে প্রথমার্ধে আধিপত্য দেখালেও গোলের দেখা পায়নি আলবিসেলেস্তারা। তবে বিরতির পরপরই আর্জেন্টাইন জাদুকর চেনা রূপে ফিরে আসেন। ম্যাচের ৪৮তম মিনিটে মেসির নেওয়া নিখুঁত কর্নার কিক থেকে চমৎকার ভলিতে দলকে প্রথম এগিয়ে দেন নিকোলাস ওতামেন্দি। এটি ছিল জাতীয় দলের জার্সিতে মেসির ৬৮তম অ্যাসিস্ট।
ম্যাচের ৬১তম মিনিটে আবারও মেসির জাদুকরী ছোঁয়া। বক্সের বাইরে থেকে তরুণ তারকা নিকো পাজকে লক্ষ্য করে বল বাড়িয়ে দেন অধিনায়ক। বল পেয়েই চোখধাঁধানো বাঁকানো শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে ব্যবধান ২-০ করেন পাজ।
আরও পড়ুন: ডুলির লক্ষ্য, সব ম্যাচে জয় নিশ্চিত করা
দুই অ্যাসিস্টের পর এবার ভক্তদের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নিজেই স্কোরশিটে নাম লেখান ফুটবল মহাতারকা। ৬৯তম মিনিটে বেনিনের এক ডিফেন্ডার বক্সে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। ৭০তম মিনিটে স্পট কিকে ডান পায়ের চোখধাঁধানো ও নিখুঁত শটে বল জালে জড়িয়ে পুরো স্টেডিয়ামকে উল্লাসে ভাসান ৩৯ বছর বয়সী এই মহাতারকা।
এর আগে ম্যাচের ১০ম মিনিটে মেসির ১০ নম্বর জার্সির সম্মানে এক মিনিটের জন্য খেলা থামিয়ে অনন্য অভিবাদন জানায় রেফারি ও পুরো স্টেডিয়াম। আতশবাজির রোশনাই আর করতালির জবাবে হাত নেড়ে ভালোবাসা জানান কিংবদন্তি। শেষ পর্যন্ত ৩-০ ব্যবধানের এই জয় দিয়েই শেষ হলো আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির ২১ বছরের রাজত্ব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন