প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মানবসম্পদ উন্নয়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্যে সিঙ্গাপুর ও ইকুয়েডর একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত করেছে। এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে উভয় দেশের নেতৃত্ব বিকাশ, টেকসই উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করার সম্ভাবনা রয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট দানিয়েল নোবোয়া আজিন যখন সিঙ্গাপুর সফরে ছিলেন, তখন এই সমঝোতা স্মারক সই করা হয়েছে।
বিশেষ প্রতিনিধি অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে, গুডউড পার্ক হোটেলে ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্টের সম্মানে রাষ্ট্রীয় ভোজসভা অনুষ্ঠিত হয়। সিঙ্গাপুরের প্রেসিডেন্ট থারমান শানমুগারাতনাম বলেছেন, প্রশান্ত মহাসাগর উভয় দেশকে বিচ্ছিন্ন করে রাখলেও ভৌগোলিক দূরত্ব তাদের অংশীদারত্বের গভীরতা নির্ধারণে কোনো বাধা সৃষ্টি করতে পারে না। উভয় দেশও সামুদ্রিক রাষ্ট্র হিসাবে জাতিসংঘের সমুদ্র আইন বিষয়ে কনভেনশন এবং অবাধ নৌ চলাচল রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ইকুয়েডর সিঙ্গাপুরের জন্য লাতিন আমেরিকার অ্যান্ডিয়ান অঞ্চলে নতুন বাণিজ্যের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।
সফরের সময়, ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট নোবোয়া সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লরেন্স ওয়াংয়ের সঙ্গে একটি বৈঠক করেছেন। এটি ছিল ইকুয়েডরের কোনও প্রেসিডেন্টের প্রথম সিঙ্গাপুর সফর। বৈঠকে খাদ্যনিরাপত্তা, বাণিজ্য, সরবরাহব্যবস্থা এবং ডিজিটাল রূপান্তরের বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন যে, তার দেশ সিঙ্গাপুরের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও উন্নত করতে আগ্রহী। তিনি সিঙ্গাপুরের যেকোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ইকুয়েডরে সরাসরি ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য লাইসেন্স দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন।
এছাড়া, সিঙ্গাপুরের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় কর্মসূচি বৃদ্ধি করতে নোবোয়া আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জের ‘চার্লস ডারউইন রিসার্চ স্টেশন’-এ সিঙ্গাপুরের গবেষকদের কাজ করার সুযোগ দেয়ার ব্যাপারেও আলোচনা করেন।
বর্তমানে সিঙ্গাপুরের কিছু প্রতিষ্ঠান ইকুয়েডরে ব্যবসা সম্প্রসারণের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে ‘ডিমিউটো’ নামক একটি প্রতিষ্ঠান ইকুয়েডরের কৃষিপণ্যের সরবরাহব্যবস্থা ডিজিটাল করার কাজ করছে। অপরদিকে, ‘পিএসএ মেরিন’ ইকুয়েডরের গুয়াইয়াকিল ও পোসোরজা বন্দরে পাইলটেজ এবং নৌযানসেবা প্রদান করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন