প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আক্রমণে নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শোকযাত্রায় অংশগ্রহণ করেছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ।
আহমাদিনেজাদ, যিনি খামেনির ঘনিষ্ঠ ও অনুগত হিসেবে পরিচিত, তার অফিসিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেল ‘দৌলত-ই বাহার’-এ শোকযাত্রায় তার অংশগ্রহণের কিছু ছবি প্রকাশ করেছেন।
খামেনির রাজনৈতিক সমর্থন আহমাদিনেজাদের রাজনৈতিক উত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার প্রথম মেয়াদে (২০০৫-২০০৯) খামেনির অবিচল ও প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতা ছিল। ২০০৯ সালের ‘বিতর্কিত’ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে খামেনি তখন জুমার খুতবাকে আহমাদিনেজাদ সরকারের পক্ষে প্রচারণার জন্য ব্যবহার করেছিলেন।
কিন্তু, ২০১০ সালের মধ্যে আহমাদিনেজাদ এবং খামেনির মধ্যে সম্পর্কে ফাটল দেখা দেয়। এই বিরোধের পেছনে ছিল তৎকালীন গোয়েন্দা মন্ত্রী হেইদার মোসলেহিকে বরখাস্ত করার ঘটনা। আহমাদিনেজাদ যখন মোসলেহিকে পদত্যাগে বাধ্য করেন, তখন খামেনি দ্রুত সেই গোয়েন্দা প্রধানকে পুনর্বহাল করেন।
এই ঘটনার পর আহমাদিনেজাদ টানা ১১ দিন কর্মবিরতি পালন করে, যা ইরানের শাসন কাঠামোর উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের ক্ষুব্ধ করে।
২০১৩ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তাদের মধ্যে দূরত্ব একপ্রকার প্রাতিষ্ঠানিক বর্জনে পরিবর্তিত হয়। খামেনির নিয়ন্ত্রণে থাকা গার্ডিয়ান কাউন্সিল পরবর্তীতে ২০১৭, ২০২১ এবং ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আহমাদিনেজাদকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ দেয়নি।
এই কারণে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার শোকযাত্রায় আহমাদিনেজাদের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। অনেকের ধারণা, তার উপস্থিতি ইরানের রাজনীতিতে নীরব পালাবদলের ইঙ্গিত।
সূত্র: আল-জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন