প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার মশালগাঁও সীমান্ত দিয়ে ১১ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের জন্য চেষ্টা চালায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। কিন্তু বিজিবির বাধার কারণে তারা সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছে।
এই ঘটনায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সিদ্ধান্ত ওঠেনি।
শনিবার (৬ জুন) ভোররাতে সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে মশালগাঁও সীমান্ত এলাকার।
সন্ধ্যার আগে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান। তিনি স্থানীয়দের বরাত দিয়ে বলেন, ভোররাতে বিএসএফ তিনজন পুরুষ, চারজন নারী ও চারজন শিশুকে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে।
বিজিবি সদস্যরা প্রবেশের চেষ্টা প্রতিহত করলে বিএসএফ সদস্যরা সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান নেয়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা জারি করা হয়েছে। অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন এবং টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। বিএসএফের সঙ্গে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অব্যাহত রয়েছে। সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইন প্রতিরোধে তারা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। পুশইনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হলে পরবর্তীতে বিস্তারিত জানানো হবে।’
এদিকে, শূন্যরেখায় দীর্ঘ সময় ধরে অবস্থানকারী ব্যক্তিরা মানবেতর জীবনযাপন করছে। তারা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ, আমাদের কিছুই নাই। বিএসএফ শুধু মুসলমানদেরকেই ধরে নিয়ে আসছে।
আমাদের এখানে এনে সীমান্তের দিকে পাঠিয়ে দিয়েছে। কয়েকদিন আটকে রাখার পর বিভিন্ন দলে ভাগ করে বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় নেওয়া হয়। পরে বিএসএফের বহরগাঁও ক্যাম্পে একদিন রাখার পর ভোর রাতে বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে পাঠানো হয়।’
এখন পতাকা বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়ায় শূন্যরেখায় অবস্থানরত ১১ জনের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন