প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আবুধাবি থেকে বাংলাদেশে আনা স্বর্ণের ডিম কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি করতে ব্যর্থ হওয়ায় সেগুলো পুনরায় আবুধাবিতে ফেরত নেওয়ার সময় চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার উদ্ঘাটন করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)। পৃথক দুটি অভিযানে মোট ২ কেজি ৭২৮ গ্রাম ওজনের ৬টি স্বর্ণের ডিম জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে আবুধাবিগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-১২৭ ফ্লাইটের যাত্রী মোহাম্মদ মিনহাজকে সন্দেহভাজন হিসেবে উড়োজাহাজ থেকে অফলোড করা হয়। পরবর্তীতে কাস্টমস গোয়েন্দার তৎপরতায় উক্ত যাত্রীর কাছ থেকে ৩টি স্বর্ণের ডিম উদ্ধার করা হয়, যার মোট ওজন ১ কেজি ৩৬৪ গ্রাম।
অপর একটি ঘটনায়, কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বিমানবন্দরের বোর্ডিং ব্রিজ এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় আরও ৩টি স্বর্ণের ডিম আটক করেন, যার ওজনও ছিল ১ কেজি ৩৬৪ গ্রাম।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, স্বর্ণের ডিমগুলো এর আগে আবুধাবি থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে আনা হয়েছিল। কিন্তু দেশের বাজারে প্রত্যাশিত মূল্য না পাওয়ায় সেগুলো পুনরায় আবুধাবিতে ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল।
জব্দকৃত স্বর্ণের বিবরণ
প্রথম ঘটনা: ৩টি স্বর্ণের ডিম — ১.৩৬৪ কেজি
দ্বিতীয় ঘটনা: ৩টি স্বর্ণের ডিম — ১.৩৬৪ কেজি
মোট: ৬টি স্বর্ণের ডিম — ২.৭২৮ কেজি
আনুমানিক বাজারমূল্য: ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা
স্বর্ণ চোরাচালানের এই ব্যতিক্রমী ও অভিনব ঘটনায় নতুন করে নানা প্রশ্নের উদ্ভব হয়েছে। বিদেশ থেকে অবৈধভাবে আনা স্বর্ণ দেশের বাজারে কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হলে তা কি আবার বিদেশে পাচার করা হচ্ছে—এমন প্রশ্ন এখন জোরালো হয়ে উঠেছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর স্বর্ণের প্রকৃত উৎস, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা, সম্ভাব্য চোরাচালান চক্র এবং এর সঙ্গে জড়িত আন্তর্জাতিক যোগাযোগের বিষয়গুলো নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখছে।
এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন