প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মার্কিন একটি ফেডারেল আপিল আদালত, ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির অধীনে নিজ দেশের পরিবর্তে অন্য দেশে অনিবন্ধিত অভিবাসীদের নির্বাসিত বা বহিষ্কার করার উপর আরোপিত বিধিনিষেধ বজায় রেখেছে।
এ বিষয়ে খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
শুক্রবার, মার্কিন ফার্স্ট সার্কিট কোর্ট অব আপিলসের তিন বিচারকের একটি প্যানেল নিম্ন আদালতের রায়কে মূলত বহাল রেখেছে। ওই রায়ে অনিবন্ধিত অভিবাসীদের নিজ দেশ ছাড়া অন্য কোনো দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারের ওপর কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল।
আদালত উল্লেখ করেছে, কাউকে ‘তৃতীয় দেশে’ পাঠানোর আগে তাকে যথেষ্ট সময় দিয়ে জানাতে হবে যে কোন দেশে তাকে পাঠানো হচ্ছে। এতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যদি ওই দেশে নির্যাতন বা নিপীড়নের আশঙ্কা অনুভব করেন, তাহলে তিনি তা জানানোর এবং সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপত্তি তোলার সুযোগ পাবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নীতিমালা অনুযায়ী, এমন কোনো দেশে কাউকে বহিষ্কার করা যাবে না, যেখানে তার জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে অথবা তিনি নির্যাতনের শিকার হতে পারেন।
বিচারক সেথ আফ্রেম, তিন বিচারকের সর্বসম্মত প্যানেলের পক্ষে রায় লিখতে গিয়ে বলেছেন, যে দেশে কাউকে বহিষ্কার করা হবে, সেখানে নির্যাতনের আশঙ্কা থাকলে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপত্তি জানানোর অধিকার তখনই অর্থবহ হবে, যখন তাকে আগেই জানানো হবে কোন দেশে পাঠানো হচ্ছে এবং সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যথাযথভাবে আপত্তি জানানোর সুযোগ দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস)-এর নীতি অনুসরণ করলে বিপুলসংখ্যক বিদেশি নাগরিক এই সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন, যাদের গন্তব্য তৃতীয় দেশ হলেও আগে থেকে সেই গন্তব্য সম্পর্কে জানানো হয় না।
এদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন এই মামলাটি রক্ষণশীল সংখ্যাগরিষ্ঠ সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার পরিকল্পনা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারে যুক্তরাষ্ট্র থেকে লক্ষাধিক অনিবন্ধিত অভিবাসীকে বহিষ্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর থেকে তার প্রশাসন বহিষ্কার প্রক্রিয়া দ্রুত করার লক্ষ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
ট্রাম্প প্রশাসন তৃতীয় দেশে অভিবাসীদের পাঠানোর নীতির পক্ষে যুক্তি প্রদান করে বলেছে, বহিষ্কারের তালিকায় থাকা কিছু ব্যক্তির নিজ দেশ তাদের ফেরত নিতে কখনো কখনো অস্বীকৃতি জানায়। এ কারণে তাদের অন্য দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা প্রয়োজন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন