প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মিল্কিওয়ের কেন্দ্রের কাছে অবস্থিত বিশাল ধূলিকণা ও গ্যাসের মেঘে বিজ্ঞানীরা চিনির সন্ধান পেয়েছেন। এই যুগান্তকারী আবিষ্কারটি পৃথিবীর বাইরে মহাকাশে প্রাণের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়ার নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
নাসার প্রতিবেদন অনুসারে, চিনির নাম ‘ইরিথ্রুলোজ’ । এটি নক্ষত্রমণ্ডলীর অতি শীতল তাপমাত্রায় (প্রায় -২৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ক্ষুদ্র ধূলিকণায় রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, প্রাণের বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্ব বহনকারী এই ধূলিকণাগুলো পরবর্তীতে ধূমকেতুর অংশ হয়ে যায় অথবা আশেপাশের বিভিন্ন গ্রহে পড়তে পারে।
স্পেনের সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোবায়োলজির গবেষক ড. ইজাসকুন হিমেনেজ-সেরা জানিয়েছেন, আন্তঃনাক্ষত্রিক মহাকাশে সরাসরি চিনির সন্ধান পাওয়ার ঘটনা এটি প্রথম। তারা স্পেনের দুটি রেডিও টেলিস্কোপ ব্যবহার করে চিনির খোঁজ পান। এই আবিষ্কারটি প্রমাণ করে যে মহাকাশে প্রাণ জন্য জরুরি এসব উপাদানের উপস্থিতি আমাদের আগের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি। ফলে, অন্য গ্রহ에도 পৃথিবীর মতো প্রাণের বিকাশের সম্ভাবনা আরও জোরালো হয়েছে।
বিজ্ঞানীরা বহুদিন ধরে প্রশ্ন করেছেন, পৃথিবীতে এত বিপুল পরিমাণ সরল চিনি কিভাবে এলো। কারণ, ল্যাবরেটরির গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাচীন পৃথিবীতে প্রাকৃতিকভাবে এই চিনি তৈরি হওয়া বেশ কঠিন ছিল। এই নতুন আবিষ্কারের পর ধারণা করা হচ্ছে, প্রাচীন পৃথিবীতে অতিভারী গ্রহাণু ও ধূমকেতুর বর্ষণ চলাকালীন মহাকাশ থেকে লাখ লাখ টন ‘ইরিথ্রুলোজ’ পৃথিবীতে আছড়ে পড়েছিল। মূলত, মহাকাশ থেকে আসা এই জৈব উপাদানগুলোই পৃথিবীতে প্রাণের আদি উপাদান বা আরএনএ (RNA) তৈরিতে প্রধান ভূমিকা রেখেছিল।
সাধারণভাবে জানা গেছে, প্রাকৃতিকভাবে লাল রাস্পবেরি ফলে এই ইরিথ্রুলোজ চিনি পাওয়া যায়। এমনকি কৃত্রিমভাবে ত্বকের রং বদলানোর লোশনেও এটি ব্যবহৃত হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন