প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আগামী ২৮ জুন (রবিবার) সারা দেশের মতো বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকাতেও জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন এ তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ২২০টি কেন্দ্রের মাধ্যমে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এ কার্যক্রমে সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল জেনারেল হাসপাতাল, পুলিশ হাসপাতাল, আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রকল্প, রেড ক্রিসেন্ট, গার্লস গাইড, সূর্যের হাসি ক্লিনিক, ব্র্যাক, চন্দ্রদ্বীপ, উদয়ন পাঠাগার, সিডিসি, ওআরডিপি, ওডিপি, মেরি স্টোপস ক্লিনিক, সেন্ট অ্যানেক্স মেডিকেল সেন্টার, প্রিয়সী বাংলা এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকসহ মোট ১৮টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫০০ কর্মী অংশগ্রহণ করবেন।
ক্যাম্পেইনের আওতায় প্রতিটি কেন্দ্র সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৮ হাজার ৯৫০ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৪৯ হাজার ৭৬০ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, এ ক্যাম্পেইনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে না। নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে উপস্থিত হয়ে শিশুদের ক্যাপসুল গ্রহণ করতে হবে। ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল শিশুদের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ হলেও ভরা পেটে খাওয়ানো উত্তম। তবে কোনো শিশু যদি গত চার মাসের মধ্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গ্রহণ করে থাকে, তাহলে তাকে পুনরায় ক্যাম্পেইনের আওতায় ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না।
প্রতিটি কেন্দ্রে দুইজন করে কর্মী দায়িত্ব পালন করবেন এবং পুরো কার্যক্রম অনলাইনের মাধ্যমে তদারকি করা হবে বলেও জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন বলেন, “ভিটামিন ‘এ’ শিশুর স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখতে সহায়তা করে, রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে অভিভাবকদের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং তারা শিশুদের নির্ধারিত কেন্দ্রে নিয়ে আসতে উদ্বুদ্ধ হবেন বলে আমরা আশা করি।”
তিনি ক্যাম্পেইন সফল করতে সকল গণমাধ্যমকর্মী ও অভিভাবকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন