প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাভারে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’-পরবর্তী কর্মসূচির সমাবেশ চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার জন্য একটি ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির প্রধান হিসেবে ঢাকা জেলার (উত্তর) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলমকে মনোনীত করা হয়েছে।
সোমবার (৬ জুলাই) রাতে পৌনে ১২টার দিকে সাভারে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ঢাকার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন। এ সময় তিনি সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ঘটনার পর থেকেই সাভারের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। তবে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় এখনো কোনো সন্দিগ্ধ ব্যক্তি আটক বা শনাক্ত করার খবর পাওয়া যায়নি।
ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান যে, রাত ৯টার দিকে সমাবেশস্থলের মঞ্চে এনসিপির নেতারা উপস্থিত হন। ঠিক তখনি বিদ্যুৎ চলে যায়। এর মধ্যে দলের মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ অনেকে বক্তব্য রাখেন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর বিদ্যুৎ সংযোগ আবার স্বাভাবিক হয়।
এসময় মঞ্চে দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং কেন্দ্রীয় নেতারা অস্থিতিশীল ছিলেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বক্তব্য দিতে শুরু করেন। ঠিক এর কিছুক্ষণ পরই সেখানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে, যা সমাবেশস্থলে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন শাহীন খান্দকার (৩০), জসিম (২৬) এবং শাহাদাত হোসেন (৪০)। এইদের মধ্যে শাহীন এনাম মেডিক্যাল কলেজের কর্মী, জসিম একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং শাহাদাত হোসেন সাভারের মুক্তির মোড় এলাকার বাসিন্দা।
তারা বর্তমানে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ জানান, হামলার ঘটনায় এনসিপির পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন