প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, যারা স্বাধীনতার সময় বাংলাদেশের বিপক্ষে ছিল, তারা বেয়াদবদের সৃষ্টি করেছে নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারীদের মতো। আজকে তারা এই বাংলাদেশে বেয়াদব কণ্ঠ নাজিল করেছে। যদি কেউ বলেন বাংলাদেশে বিরোধী দলে এক-দুই-চারটি দল আছে, তবে আমরা সেটা বিশ্বাস করি না। বিরোধী দল একটি, সেটি হলো জামায়াত-শিবির। নতুন যে ছাত্র সংগঠনটি জাতীয় রাজনীতিতে এনসিপি নামে পরিচিত, তারা জামায়াত-শিবিরের নেতৃত্বে একাকার হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার (৪ জুলাই) বিকেলে লক্ষ্মীপুরে জেলা বিএনপির ব্যানারে শহরের এন আহম্মদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জুলাই সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টের বাহিরে পক্ষ হলো দুইটা। একটি হলো জামায়াত-শিবির পক্ষ এবং অপরটি হলো জিয়াউর রহমান-খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী পক্ষ। এরা কি ভাষায় কথা বলছে, প্রতিদিন তারা ঝগড়াঝাঁটি করে যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত তারেক রহমানকে নিয়ে অশালীন ভাষায় বক্তব্য দিচ্ছে। এখনো দেশের মানুষ ধৈর্য ধরে আছে। আমাদের ধৈর্যের বাঁধ বাঁধছে।
তিনি বলেন, বিএনপির রাজনীতি শুরু হয়েছে প্রেসিডেন্ট জিয়ার নেতৃত্বে। বিএনপি একটি উদারপন্থি গণতান্ত্রিক দল, যার একটি গঠনতন্ত্র ও নিয়ম রয়েছে। নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারীর মতো কেউ যদি অশালীন ভাষায় কথা বলতে চায়, সেই সুযোগ বিএনপিতে নেই। এ ব্যাপারে তারেক রহমান খুব সচেতন ও সতর্ক আছেন। এ পর্যন্ত কতজনকে বহিষ্কার ও বাদ দেওয়া হয়েছে, সেই হিসেব দেখলে বোঝা যায়, এই পার্টিতে কোনো বেয়াদবের প্রশ্রয় নেই।
তিনি আরও বলেন, ৫ তারিখের পর এরা শুধু জুলাইকে বিভক্তি করে নাই, বাংলাদেশকে বিভক্তি করেছে; বাংলাদেশের রাজনীতিকে বিভক্তি করেছে। এরা বাংলাদেশের ফ্যাসিস্টবিরোধী ঐক্যের মধ্যে ফাটল ধরিয়াছে। ২০২৩ সালের ১৮ জুলাই লক্ষ্মীপুরে আমাদের সামনে থেকে কৃষকদল নেতা সজীবকে হত্যা করেছে। আপনারা তখন কোথায় ছিলেন? সেই রাজাকাররা ১৮ জুলাই কোথায় ছিলেন? ১৭ বছর কোথায় ছিল? এরা ৫ তারিখের পরের জুলাইযোদ্ধা। এটা শুধু লক্ষ্মীপুরের চিত্র নয়, সারা বাংলাদেশের চিত্র। এই হলো ১৭ বছর এবং ৩৬ দিনের যে আন্দোলন, এই আন্দোলনে তাদের ভূমিকা। প্রকৃতপক্ষে এরা আন্দোলনে ছিল না।
জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, বাফুফে সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী, বিএনপি নেতা হাফিজুর রহমান, নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, হারুনুর রশিদ বেপারী এবং লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম লিটন প্রমুখ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন