ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

বর্ষার শুরুতেই ভয়ংকর রূপে যমুনা নদী


বর্ষার শুরুতেই ভয়ংকর রূপে যমুনা নদী

বর্ষার শুরু থেকেই যমুনা নদী ক্রমশ আগ্রাসী হয়ে উঠছে।

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর ও চৌহালী উপজেলার চরাঞ্চলের দুটি ইউনিয়নে নদীর পূর্বপাড়ে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, ইতোমধ্যে নদীভাঙনের ফলে এসব এলাকার বহু বসতবাড়ি, মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং কৃষিজমি নদীতে বিলীন হয়েছে।

আরও পড়ুন: খাগড়াছড়িতে পার্কিং করা বাসে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ

কাজিপুরের চরগিরিশি ইউনিয়নের স্থানীয় ইউপি সদস্য আল আমিন সরকার জানালেন, চরগিরিশ চরে এক সময় ৫০০ থেকে ৬০০ পরিবারের বসবাস ছিল। নদীভাঙনের কারণে ১৫০টি পরিবার আগেই অন্যত্র চলে গেছে। গত ১০ দিনের ব্যবধানে অন্তত ৩০টি পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। নদী যেভাবে ভাঙছে, তাতে আরো শতাধিক পরিবারের ভিটেমাটি যে কোনো সময় নদীতে হারিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

ভিটেমাটি হারানো আব্দুল মোমিন বলেন, ‘এই চরে বাবা-দাদার ভিটে ছিল। জীবনযাত্রায় সব সঞ্চয় দিয়ে ঘর তুলছিলাম। কিন্তু কয়েক দিনের ব্যবধানে সব নদীতে চলে গেছে। এখন অন্যের জমিতে অস্থায়ীভাবে বসবাস করছি।’

স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘চোখের সামনে সবকিছু নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এখন পরিবার-পরিজন নিয়ে কোথায় যাব, কী খাবো- সব মিলিয়ে আমি খুব বড় চিন্তায় আছি।’

অন্য এক বাসিন্দা কোহিনুর খাতুন বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। যা ছিল সব নদী নিয়ে গেছে। এখন যদি সরকার সাহায্য না করে, তাহলে আমাদের পরিবার নিয়ে খোলা আকাশের নিচে থাকতে হবে।’

আরও পড়ুন: হাফেজদের সংবর্ধনার মঞ্চে যাত্রাগান, উচ্চ শব্দে অতিষ্ঠ ছাতিয়াইনবাসী

চরগিরিশ চরের বৃদ্ধ রশিদ মিয়া বলেছেন, ‘জীবনে অনেক কষ্ট করছি। কিন্তু এমন অসহায় কখনো লাগেনি। আমরা এখন কোথায় যাব, ভেটুয়া ও চরগিরিশ চরের শত শত মানুষজন এখন দিশাহারা।’

এদিকে, চৌহালী উপজেলার বাগুটিয়া ইউনিয়নের চরসলিমাবাদ, ভূতের মোড়, বিনানুই ও ভুসুরিয়া চরাঞ্চলে প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত ১০ দিনে ভাঙনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি, মসজিদ, দোকানপাটসহ অন্তত ৩০টি স্থাপনা নদীতে বিলীন হয়েছে। পাউবো ভাঙনরোধে জিওব্যাগ ও জিওটিউব ফেললেও তেমন কাজে আসছে না। আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন নদীতীরের বাসিন্দারা। তাদের স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি।

চৌহালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুরুল আমিন বলেন, আমরা ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জিও ব্যাগ ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়া হবে।

এদিকে, সিরাজগঞ্জ সদর, বেলকুচি ও শাহজাদপুর উপজেলার নদীতীর ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে ভাঙনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। ইতোমধ্যে এসব অঞ্চলের চরগুলোর আবাদি জমির ফসল তলিয়ে গেছে। নৌকা ছাড়া চলাচল করতে পারছে না তারা।

আরও পড়ুন: মাদকমুক্ত যুবসমাজ গড়তে খেলাধুলার আহ্বান সিরাজুল ইসলামের

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ৯ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১৫১ সেন্টিমিটার এবং কাজিপুর পয়েন্টে ৭ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১৯৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এই সময়ের মধ্যে সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের বাহুকা এলাকায় নদীর তীররক্ষা বাঁধের ৩০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সেখানে জিওব্যাগ ও জিওটিউব ফেলে ভাঙন নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেছেন, ভাঙনরোধে চৌহালী উপজেলার একটি স্থানে এবং সিরাজগঞ্জ সদরের বাহুকা এলাকায় কাজ চলছে।

চরাঞ্চলে নদীভাঙন প্রসঙ্গে নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, যমুনার বিশাল এলাকজুড়ে চরাঞ্চল রয়েছে। এসব এলাকায় ভাঙন দেখা দিলে আমাদের কিছু করার থাকে না। সরকার চরাঞ্চল রক্ষায় উদ্যোগী হলে আমরা সমীক্ষা করে প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাব।

আরও পড়ুন: সংস্কার হচ্ছে রেলপথ, নোয়াখালী রুটে চালু হচ্ছে নতুন ট্রেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩১ পি.এম


চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের মাধ্যমে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন। তিনি বলেন, চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং অন্যান্য দেশের সরকারপ্রধানকে বসিয়ে রেখে তারেক রহমানের সঙ্গে আলাপ করেছেন।

এ তথ্যটি শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ৮টি সমঝোতা এবং ৩টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। মোংলা বন্দর এবং চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীনের জন্য বিশেষ ইপিজেড নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। তার সঙ্গে উল্লেখ করেছেন, তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহযোগিতায় সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, কুনমিং থেকে বাংলাদেশে সরাসরি যোগাযোগের জন্য চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার করিডোর প্রস্তাব করেছে বেইজিং। তবে বাংলাদেশ এ বিষয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি।

এ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে 'বাংলাদেশ ফাস্ট নীতি'র বড় ধরনের সাফল্য দেখা গেছে বলেও উল্লেখ করেছেন ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, মালয়েশিয়া সরকারের প্রকাশিত ভিডিওতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, প্রধানমন্ত্রীর এবং মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক কত গভীর হয়ে উঠেছে।

ড. খলিলুর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ এবং বিনিয়োগের দুটি নোট অব ভার্বাল স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেইসঙ্গে ২০২৭ সালের মধ্যে মুক্তবাণিজ্য চুক্তির জন্য দুই দেশ একমত হয়েছে।

মালয়েশিয়াতে দুই লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের নীতিগত বিষয়ে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে বলেও কথা বলেছেন তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মন্তব্য করেছেন, চায়না বাংলাদেশের উন্নয়নে স্থায়ী বন্ধু হতে আগ্রহী। এছাড়া, ব্রিকস এবং সাংহাই কনভেনশনে বাংলাদেশের নতুন সদস্য হওয়ার ব্যাপারে চীন সমর্থন করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রুশ হুমকি মোকাবিলায় ২০৩৫ সালের মধ্যে সেনাসংখ্যা বাড়াতে চায় জার্মানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩২ পি.এম


রুশ হুমকি মোকাবিলায় ২০৩৫ সালের মধ্যে সেনাসংখ্যা বাড়াতে চায় জার্মানি

জার্মানি বর্তমানে চরম সেনাসংকটে ভুগছে। তাদের সেনাবাহিনীতে নতুন লোক নিয়োগ দেওয়া নিয়ে তারা রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে। তাই বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা আবার চালু করা হবে কি না, সে বিষয়ে শিগগিরই তাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এ তথ্য ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, জার্মানির এক জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য।

রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান হুমকি এবং যুক্তরাষ্ট্রের অনিশ্চিত আচরণের কারণে জার্মানি সতর্ক অবস্থানে আছে। তারা নিজেদের সেনাবাহিনী নতুন করে সাজাতে চাইছে। ২০৩৫ সালের মধ্যে তারা সেনাসংখ্যা ১ লাখ ৮৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে কমপক্ষে ২ লাখ ৬০ হাজার করতে চায়।

গত নভেম্বরে সরকার সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার জন্য একটি নতুন স্বেচ্ছাসেবী ব্যবস্থা চালু করে। এই ব্যবস্থার আওতায় ১৮ বছর বয়সী তরুণদের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কিন্তু জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে প্রায় ৩ লাখ তরুণের সাথে যোগাযোগ করা হলেও, মাত্র ৫৩০ জন সেনাবাহিনীতে যুক্ত হয়েছেন।

জার্মান পার্লামেন্টের প্রতিরক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান টমাস রোয়েওয়েলক্যাম্প বলেন, স্বেচ্ছায় যদি লক্ষ্য পূরণ না হয়, তবে তাদের বাধ্যতামূলক নিয়োগ ব্যবস্থায় ফিরে যেতে হবে। এই বিষয়ে আগামী বছরের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

তবে এই নিয়ম চালু হলেও ১৮ বছর বয়সী সবাইকে সেনাবাহিনীতে যেতে হবে না। বছরে যাদের বয়স ১৮ হবে, তাদের মধ্য থেকে সেনাবাহিনী শুধু প্রয়োজনীয় লোকবলই নিয়োগ করবে।

রোয়েওয়েলক্যাম্প জানান, যুদ্ধবিমান, জাহাজ, ট্যাংক বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও চুক্তিভিত্তিক সেনার খুব প্রয়োজন। এটি নিয়েই সবচেয়ে বেশি চিন্তা। যদিও জার্মানিতে বাধ্যতামূলক সামরিক সেবার বিরুদ্ধে সম্প্রতি অনেক বিক্ষোভ হয়েছে।

জার্মানির আশঙ্কা, রাশিয়া ২০২৯ সালের মধ্যে ন্যাটো দেশগুলোতে হামলা চালাতে পারে। রোয়েওয়েলক্যাম্প বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নজর শুধু ইউক্রেনের দিকেই নেই, পুরো পশ্চিমা গণতন্ত্রের দিকেই রয়েছে। তাই যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল না থেকে ইউরোপকে নিজেদের সামরিক শক্তি বাড়াতে হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী ৭ ও ৮ জুলাই তুরস্কের আঙ্কারায় অনুষ্ঠেয় ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন থেকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনকে একটি কড়া বার্তা দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে ন্যাটোর ঐক্য আরও দৃঢ় হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ার বিভিন্ন স্থাপনায় ইউক্রেনের নজিরবিহীন ড্রোন হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


রাশিয়ার বিভিন্ন স্থাপনায় ইউক্রেনের নজিরবিহীন ড্রোন হামলা

ইউক্রেন রাশিয়ার ১২ অঞ্চল, অধিকৃত ক্রিমিয়া এবং পার্শ্ববর্তী সাগরে একযোগে ৬৬০টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এটি রাশিয়ার অগ্রাসনের পর থেকে অন্যতম বৃহত্তম ড্রোন হামলা ছিল।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গতকাল শুক্রবার রাতে নজিরবিহীন ড্রোন হামলা চালানো হয়। রুশ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ৬৬০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন প্রতিহত করেছে। এর আগে কিয়েভ ৫৫৬টি ড্রোন ব্যবহার করে আরেকটি বড় হামলা চালিয়েছিল। খবর এপি।

রাশিয়ার অস্ত্রভাণ্ডার, তেল উৎপাদন কেন্দ্র ও জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে অবিরাম ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেন, যা দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের মোড় ঘোরাতে লক্ষ্য করে।

পশ্চিমা কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, ইউক্রেনের লাগাতার বড় আকারের দুরপাল্লার ড্রোন হামলা রাশিয়ার জ্বালানি ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহকে ব্যাহত করেছে। এর ফলে যুদ্ধক্ষেত্রে মস্কোর প্রচেষ্টাকে স্থবির করে দিয়েছে এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে।

জানা গেছে, রাশিয়ার একটি রাসায়নিক কারখানায় হামলা হয়েছে। তবে এতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তার সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

রাশিয়ার স্বাধীন অনলাইন সংবাদমাধ্যম অ্যাস্ট্রা জানিয়েছে, হামলায় রাশিয়ার নোভোমোস্কোভস্কের একটি রাসায়নিক কারখানা এবং জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে আগুন ধরে যায়। তবে সোসিয়েটেড প্রেস স্বাধীনভাবে এই প্রতিবেদনটি যাচাই করতে পারেনি এবং এর কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণও পাওয়া যায়নি।

মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানিয়েছেন, রাশিয়ার রাজধানীর দিকে উড়ে আসা ৪৭টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।

ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থা জানিয়েছে, ক্রিমিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বন্দর শহর কের্চে রুশ নৌবাহিনীর জাহাজ ও আকাশ প্রতিরক্ষা রাডারে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এতে জাহাজগুলো ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়েছে বলে যোগ করেন সংস্থাটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবারও নোরা ফাতেহির সঙ্গে জুটি বাঁধলেন সঞ্জয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৮ পি.এম


আবারও নোরা ফাতেহির সঙ্গে জুটি বাঁধলেন সঞ্জয়

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ‘সির সির’ গান দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিলেন বাংলাদেশি-আমেরিকান ডিজে, গায়ক ও সংগীত পরিচালক সঞ্জয় দেব এবং বলিউড তারকা নোরা ফাতেহি।

সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আবারও একসঙ্গে নতুন গান নিয়ে হাজির হচ্ছেন এই দুই তারকা।

আগামী ২৯ জুন প্রকাশ পাবে তাদের নতুন গান ‘চ্যাম্পিয়ন’।

ডালাস থেকে সঞ্জয় দেব গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, ‘চ্যাম্পিয়ন’ শুধু একটি খেলার গান নয়; এটি বিজয়, আত্মবিশ্বাস এবং জীবনের প্রতিটি অর্জনকে উদযাপনের বার্তা বহন করবে।

সঞ্জয় বলেন, ‘এটা শুধু কোনো খেলায় জয়ের গান নয়। জীবনের যেকোনো অর্জন, যেকোনো সংগ্রাম শেষে পাওয়া সাফল্য উদযাপনের গান।

আমরা চাই, মানুষ গানটি শুনে অনুপ্রাণিত হোক, ইতিবাচক শক্তি পাক। চ্যাম্পিয়ন সবাইকে বিজয়ী হওয়ার অনুভূতি দেবে।’

গানটিতে কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি এর কথা, সুর এবং সংগীত পরিচালনার দায়িত্বও সামলেছেন সঞ্জয় দেব।

তিনি জানান, প্রায় দুই মাস ধরে চলেছে ‘চ্যাম্পিয়ন’-এর কাজ।

বিশ্বকাপের আবহকে ঘিরেই গানটি প্রকাশের পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি ও নোরা।

গানটির মিউজিক ভিডিও ধারণ করা হয়েছে পূর্ব আফ্রিকার দেশ তানজানিয়ার জানজিবারে।

মাত্র দুই দিনের সফরে সেখানে গিয়ে এক দিনেই ভিডিওর পুরো শুটিং শেষ করেন সঞ্জয় ও নোরা।

সঞ্জয়ের মতে, জানজিবারের নৈসর্গিক সমুদ্রসৈকত ও মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভিডিওটিকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা।

গান প্রকাশের আগেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে প্রচারণা।

সম্প্রতি নোরা ফাতেহি নিজের ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘বন্ধুরা, তোমরা সবাই চ্যাম্পিয়নের জন্য প্রস্তুত তো?’ তার এই পোস্টের পর থেকেই ভক্তদের মধ্যে গানটি নিয়ে বাড়ছে আগ্রহ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%