প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় কর্মরত ১৩জন শিক্ষকের এমপিও সরকার বন্ধ করেছে, যেহেতু বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ও সুপারিশপত্র জাল এবং ভুয়া প্রমাণিত হয়েছে।
এছাড়াও, তাদের মে মাসের এমপিও শিট থেকে ইনডেক্স কর্তন করা হয়েছে এবং এ পর্যন্ত উত্তোলিত বেতন-ভাতাদির পুরো অর্থ সরকারী কোষাগারে জমা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশনা রয়েছে।
আজ মঙ্গলবার মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের এক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬’ এর ১৮.১ (গ) এবং (ঙ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ইনডেক্স কর্তন হওয়া ১৩ জন শিক্ষক হলেন— মো. নুরুজ্জামান (সিরাজগঞ্জের গোলকপুর সিদ্দিকীয়া ফাজিল মাদ্রাসা), মো. মাহবুব রশিদ (রংপুরের তারাগঞ্জ ওয়াকফ এস্টেট কামিল মাদ্রাসা), মো. আব্দুর রহমান (পিরোজপুরের বাটাজোড় আলিম মাদ্রাসা), মো. মাসুম বিল্লাহ (পিরোজপুরের বাটাজোড় আলিম মাদ্রাসা), মো. হারুনুর রশিদ (কুড়িগ্রামের নেওয়াশী ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা), করিমা খাতুন (বাগেরহাটের মল্লিকেরবেড় ফাজিল মাদ্রাসা), বিশ্বজিৎ সমাদ্দার (সাতক্ষীরার পাতাখালি ফাজিল মাদ্রাসা), শহীদুল হক (কুমিল্লার পাঁচখুবী আহমদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা), মো. রোকনুজ্জামান (গাজীপুরের বেলাশী মদিনাতুল উলুম বালিকা আলিম মাদ্রাসা), জালাল উদ্দিন (ঢাকার আজিমপুরের সাতবাড়ীয়া শাহ আমানত র. দাখিল মাদ্রাসা), হাসিনা (গাজীপুরের বড়িবাড়ী বালিকা দাখিল মাদ্রাসা), মো. মাহফুজুর রহমান (গাজীপুরের একডালা আউয়ালিয়া বালিকা আলিম মাদ্রাসা) এবং নাসরিন সুলতানা (নরসিংদীর শেখেরগাঁও জামিউল উলুম সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা)।
আদেশে আরো বলা হয়েছে, যে পরিমাণ অর্থ এই জাল সনদধারী শিক্ষকেরা সরকারের কাছ থেকে বেতন-ভাতা বাবদ উত্তোলন করেছেন, তা দ্রুত সরকারী কোষাগারে ফেরত নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে এই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন