প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সৌদি আরবে পাঠানোর নামে ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা গ্রহণের পর আকামা প্রদান না করার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রতিষ্ঠানের কিছু ব্যক্তির বিরুদ্ধে। আকামা না পাওয়ার কারণে সৌদি আরবে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন ভুক্তভোগী প্রবাসী মোঃ মতিউর রহমান। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে তার স্বজন মোঃ মাহাবুব হোসেন ঢাকার ভাটারা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ধামরাইয়ের বাসিন্দা মোঃ মাহাবুব হোসেনের আত্মীয় মোঃ মতিউর রহমানকে সৌদি আরবে পাঠানোর জন্য অভিযুক্তরা দুই বছরের আকামাসহ পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেন। এই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে তাদের কাছে ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী জানান, টাকা গ্রহণের পর প্রায় তিন মাসের মধ্যে মতিউর রহমানকে সৌদি আরবে পাঠানো হলেও সেখানে পৌঁছানোর পর তার আকামা প্রদান করা হয়নি। ফলে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তিনি সেখানে অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বর্তমানে খাবার এবং দৈনন্দিন খরচ মেটানোর জন্য তাকে দেশে থাকা স্বজনদের কাছ থেকে টাকা নিতে হচ্ছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, বিদেশ যাওয়ার জন্য ধারদেনা করে বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ করেছেন মতিউর রহমান। সৌদি আরবে যাওয়ার পর আকামা প্রদান করার জন্য অভিযুক্তদের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করা হলেও তারা নানা তালবাহানা করে সময়ক্ষেপণ করছেন। এর ফলে প্রবাসী একদিকে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন, অন্যদিকে পরিবারের ওপর বাড়ছে আর্থিক চাপ।
অভিযোগকারী মোঃ মাহাবুব হোসেন বলেন, চুক্তি অনুযায়ী আকামা প্রদান করার কথা থাকলেও দীর্ঘ সময় পার হওয়ার পরও তা করা হয়নি। বিষয়টি সমাধানের জন্য বারবার যোগাযোগ করেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা পাওয়া যায়নি। এর ফলে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
এ ঘটনায় প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, প্রতারণা ও আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ এনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী প্রবাসীকে চুক্তি অনুযায়ী বৈধ আকামা প্রদান করারও দাবি জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে ভাটারা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন