প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও) হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া ১১,০০০-এরও বেশি নাবিককে সরিয়ে নেয়ার কাজ শুরু করেছে।
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান মার্কিন-ইসরাইল যুদ্ধ শেষ করার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার পর এই পদক্ষেপটি নেয়া হলো।
কয়েকদিন আগে সমঝোতা স্মারকটিতে সই করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) আইএমও মহাসচিব আর্সেনিও ডোমিঙ্গেজ এক বিবৃতিতে বলেন, এই অভিযানটি ইরান, ওমান, এই অঞ্চলের অন্যান্য উপকূলীয় রাষ্ট্র, যুক্তরাষ্ট্র এবং সামুদ্রিক শিল্পের সাথে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতায় পরিচালিত হবে।
‘এই অভিযানগুলোকে সফল করার জন্য আমরা প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি এবং নিরাপদ নৌচলাচলের পরিস্থিতি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করেছি।’ তিনি বলেন।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তেহরান কার্যকরভাবে হরমুজ প্রণালীটি বন্ধ করে দেয়, ফলে জাহাজগুলো জলপথে আটকা পড়ে।
সঙ্গে নাবিকরাও আটকা পড়েন।
তবে, গত সপ্তাহে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে জাহাজ চলাচল বেড়েছে।
কেপলার শিপিং ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির রিপোর্ট অনুযায়ী, সোমবার অন্তত ৩৬টি বাণিজ্যিক জাহাজ প্রণালীটি দিয়ে যাতায়াত করেছে, যা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সর্বোচ্চ।
ওমানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতে, আইএমও পরিকল্পনার অধীনে জাহাজ সরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়াটি পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করা হবে, যা নিয়ে কয়েক মাস ধরে আলোচনা চলছে।
‘বর্তমান পরিস্থিতিতে সংঘর্ষের ঝুঁকি বেশি থাকায়, জাহাজ চলাচল পর্যায়ক্রমে এবং নিয়ন্ত্রিতভাবে সরিয়ে নেয়া প্রয়োজন।’ মন্ত্রণালয়টি বলেছে।
এদিকে, ডেনমার্ক মঙ্গলবার ঘোষণা করেছে যে, গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি পুনরায় চালু করতে সাহায্য করার জন্য ফ্রান্স ও ব্রিটেনের গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক মিশনে তারা যোগ দেবে।
অন্যদিকে, আল জাজিরা জানায়, শান্তি চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা ‘কিছুটা ভালো’ হয়েছে।
ওমান ও ইরানের পক্ষ থেকে একটি যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে বাণিজ্য পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন