প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার পাশে সতীশ বাবু লেনে সংঘটিত ছিনতাইয়ের ঘটনার মূল হোতা সাদ্দামকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। তিনি ৯ মামলার আসামি। সোমবার রাতে কর্ণফুলী থানার উত্তর শিকলবাহা এলাকা থেকে সাদ্দামকে আটক করা হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সাদ্দামের বিরুদ্ধে পূর্বেও ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে। সাদ্দাম এবং তার দলের সদস্যরা ছিনতাইয়ের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের মুখপাত্র সহকারী পুলিশ কমিশনার আমিনুর রশিদ এসব তথ্য প্রকাশ করেন।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, ১৯ সেপ্টেম্বর কোতোয়ালি থানার পাশের সতীশ বাবু লেনে একটি অটোরিকশায় বসা যাত্রীকে ছিনতাইকারীরা গতিরোধ করে ছোরার ভয় দেখিয়ে টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেয়। এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর অভিযুক্ত মো. সাদ্দাম হোসেন এবং তার সহযোগীরা তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং বারবার তাদের অবস্থান পরিবর্তন করতে থাকে।
আরো পড়ুন
ওবায়দুরকে গ্রেপ্তার করা হলে সব সত্য বেরিয়ে আসবে : মরিয়মের বাবা
সহকারী পুলিশ কমিশনার আমিনুর রশিদ জানান, ডিবির একটি টিম সোমবার রাতে ভাইরাল ভিডিওতে সাদা টি-শার্ট পরিহিত প্রধান আসামি মো. সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃত সাদ্দাম একজন পেশাদার ছিনতাইকারী দলের সক্রিয় সদস্য। পূর্বে ২০২৫ সালে কোতোয়ালি থানার টেরিবাজার এলাকায় একই কায়দায় এক মহিলাকে ছুরিকাঘাত করে সোনা ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছিল। জামিনে মুক্ত হওয়ার পর আবারও ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িয়ে পড়ে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, সাদ্দামের প্রকাশ্যে কোনো জীবিকা নেই। তিনি এবং তার সহযোগী মাইন উদ্দিন বান্ডু ছিনতাই করে জীবিকা নির্বাহ করছে। সাদ্দামের বিরুদ্ধে ছিনতাই, দস্যুতা, দ্রুত বিচারসহ চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন থানায় ৯টি মামলা রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন