প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সম্প্রতি ম্যানচেস্টার সিটির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেছেন। বৈঠকে আলোচনা হওয়া বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তিনি প্রকাশ করবেন। ক্লাবটির আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর বার্নহ্যামের মন্তব্য নিয়ে সমালোচনা হওয়ায় তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
বার্নহ্যাম "দ্য রেস্ট ইজ পলিটিকস" পডকাস্টে বলেন, "বিরোধীদলীয় নেতা আমার বৈঠকগুলোর বিস্তারিত প্রকাশ করতে বলেছেন। আনন্দের সঙ্গেই তা করতে রাজি এবং সেটাই করব। গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে আগের দায়িত্ব পালনের সময় তাদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে যা কিছু করেছি, সবই পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করব। আসলে আমার বৈঠকগুলোর কোনোটিই সাম্প্রতিক সময়ের নয়। উল্লেখযোগ্য বৈঠক হয়েছিল মাত্র একটি, সেটি ২০২১ সালে।"
২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত নয় বছরের মধ্যে প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভাঙার দায়ে ম্যানচেস্টার সিটিকে একটি স্বাধীন কমিশন দোষী সাব্যস্ত করেছে। বাণিজ্যিক অংশীদারদের সঙ্গে ভুয়া চুক্তির মাধ্যমে ক্লাবের ফুটবল কার্যক্রমে গোপনে ৮৩ কোটি পাউন্ডের বেশি অর্থ ঢোকানোর অভিযোগে এ রায় এসেছে। তবে ক্লাবটির শাস্তি কি হবে তা এখনো ঘোষণা করা হয়নি। সিটি ইতিমধ্যে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে।
বার্নহ্যাম আগে মন্তব্য করেছিলেন যে, সিটির মালিকপক্ষ ক্লাব বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে তিনি উদ্বিগ্ন হবেন। তার এই মন্তব্যে প্রিমিয়ার লিগের কয়েকটি ক্লাব বিস্ময় প্রকাশ করেছে। আপিল প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের আশঙ্কাও তারা প্রকাশ করেছে।
বার্নহ্যাম ২০১৭ সাল থেকে চলতি বছরের শুরুর দিকে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র ছিলেন। এই সময় তিনি সিটির সাফল্যের পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে বিনিয়োগ আনার জন্য কাজ করেছেন। তবে তিনি দাবি করেছেন যে, ফুটবলের আর্থিক অনিয়মের বিষয়টি এবং ম্যানচেস্টারের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিনিয়োগ দুটিই সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়।
স্বাধীন কমিশনের রায়ের বিরুদ্ধে সিটির আপিল শুনবে পৃথক একটি স্বাধীন বোর্ড। ক্লাবটি এখনো কোনো অন্যায় করার অভিযোগ অস্বীকার করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন