প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
১৯৯৯ সালের পর ব্রিটেনের আকাশে প্রথমবারের মতো দেখা গেল পূর্ণ সূর্যগ্রহণ। গতকাল বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যায় এই বিরল মহাজাগতিক দৃশ্যটি উপভোগ করেছেন হাজারো মানুষ।
ব্যতিক্রম ছিল না খেলার মাঠও। ক্রিকেট, ফুটবল ও অ্যাথলেটিকসের দর্শকেরা কিছু সময়ের জন্য খেলাধুলা থেকে চোখ সরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়েছেন।
কাল ইংল্যান্ডের বার্মিংহামের এজবাস্টনে চলছিল দ্য হান্ড্রেডের ম্যাচ। মুখোমুখি হয়েছিল বার্মিংহাম ফিনিক্স ও এমআই লন্ডন।
ম্যাচ দেখতে আসা দর্শকেরা স্টেডিয়ামের গ্যালারি থেকেই সূর্যগ্রহণের দৃশ্য দেখার সুযোগ পান। অনেক পর্যবেক্ষক চোখের সুরক্ষায় বিশেষ চশমা ব্যবহার করেছেন।
চাঁদ সূর্যের ৯০ শতাংশেরও বেশি অংশ ঢেকে ফেলায় চারপাশের আকাশে অস্বাভাবিক অন্ধকার নেমে আসে। সূর্যকে তখন সরু এক টুকরো বাঁকা রেখার মতো দেখা যাচ্ছিল।
এই বিশেষ দৃশ্য তৈরি করে এক ভিন্ন পরিবেশ।
বার্মিংহামে চলছিল ইউরোপিয়ান অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপও। সূর্যগ্রহণের আগে আলেকজান্ডার স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইট উজ্জ্বল করা হয়।
বিশেষ চশমা পরে দর্শকরা সূর্যগ্রহণের দৃশ্য উপভোগ করেন। ছবি: সংগৃহীত
স্টেডিয়ামের পশ্চিম গ্যালারির নিচের অংশে ছোট ছোট দলে জড়ো হন কয়েকজন দর্শক এবং অ্যাথলেট।
তাদের মধ্যে ছিলেন সুইডেনের অ্যাথলেট এরিকা ওয়ার্ফ ও টিলডে বিজেরাগার। কেউ বিশেষ কাগজের চশমা ব্যবহার করেছেন, আবার কেউ মোবাইল ফোনের ক্যামেরার মাধ্যমে দৃশ্যটি ধারণ করেছেন।
তবে যখন গ্রহণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়, তখন মেঘের আড়ালে চলে যায় এই বিরল দৃশ্য। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে গ্রহণের সর্বাধিক পর্যায় ছিল।
অস্ট্রিয়ার সালজবুর্গে সূর্যগ্রহণের দৃশ্য উপভোগ করেন ফুটবলপ্রেমীরা। শতাংশ সেখানে উয়েফা সুপার কাপের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল অ্যাস্টন ভিলা ও পিএসজি।
ম্যাচ শুরুর প্রায় ৩০ মিনিট আগে সূর্যগ্রহণ ঘটে। ফলে স্টেডিয়ামে থাকা দর্শকদের বড় একটি অংশ খেলা শুরুর আগে আকাশের দিকে তাকানোর সুযোগ পান।
স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে সূর্যগ্রহণ দেখার জন্য অন্যতম আকর্ষণীয় জায়গা ছিল মাদরিং ফর্মুলা-১ সার্কিটের লা মনুমেন্তাল। বিশাল গ্যালারি এবং মাদ্রিদ শহরের আকাশরেখাকে পেছনে রেখে সেখানে সূর্যগ্রহণের দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
সার্কিটের উত্তর অংশে অবস্থিত ১২ নম্বর বাঁকটি এ জন্য ছিল বিশেষ একটি স্থান। প্রকৃতির এই বিরল দৃশ্য এবং মোটরস্পোর্টের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার মেলবন্ধন দর্শকদের জন্য একটি ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতা তৈরি করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন