প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রেস কাউন্সিলকে অধিকতর শক্তিশালী, কার্যকর ও গণমাধ্যমবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের জন্য আইন সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে, এমনটাই জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
তিনি বলছেন, এই সংশোধনীতে সাংবাদিকদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ, বার কাউন্সিলের মতো সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থার প্রস্তাব করা হবে।
বুধবার জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা পেশাদারিত্ব, জবাবহিদিতা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মোবাইল জার্নালিজমের নামেই অনুমোদনহীন, অপেশাদার বা অনৈতিক কার্যক্রম সরকার সমর্থন করে না। এই কারণে ১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল আইনকে যুগোপযোগী করে প্রেস কাউন্সিলকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে আইন সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এই সংশোধনীতে সাংবাদিকদের জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ, বার কাউন্সিলের মতো সাংবাদিক নিবন্ধনের ব্যবস্থা, মিথ্যা, হয়রানিমূলক এবং নীতি-নৈতিকতা বিরোধী সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে আর্থিক জরিমানা আরোপ করার প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য সেলিনা সুলতানার এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, পরিবর্তিত প্রযুক্তিগত পরিবেশ, ডিজিটাল সম্প্রচার ব্যবস্থার উন্নয়ন, অনলাইন ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মের সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধানের লক্ষ্যে ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন প্রচারসংক্রান্ত নীতিমালা পর্যালোচনা, প্রয়োজনীয় সংশোধন, পরিমার্জন ও পরিবর্ধনের বিষয়টি সরকার যথাযথভাবে বিবেচনায় নিয়েছে।
সংরক্ষিত আসনের সদস্য আরিফা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন বলেন, পডকাস্ট, ব্লগিং এবং ইনফ্লুয়েন্সারভিত্তিক ডিজিটাল কনটেন্টের বিষয়বস্তু, প্রচার ও প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন, বিধিবিধান এবং নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ডিজিটাল মাধ্যমের দ্রুত বিকাশ, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও জনস্বার্থের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে একটি যুগোপযোগী নীতিগত কাঠামো প্রণয়নের বিষয়টি সরকার পর্যালোচনা করছে।
যশোর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোক্তার আলীর প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে মোট ৩ হাজার ৩৩৮টি নিবন্ধিত পত্রিকা রয়েছে। এর মধ্যে দৈনিক পত্রিকা ১ হাজার ৪৩৬টি, সাপ্তাহিক পত্রিকা ১ হাজার ২৩১টি, মাসিক পত্রিকা ৪৫২টি, পাক্ষিক পত্রিকা ২১৫টি এবং অর্ধসাপ্তাহিক, দ্বিমাসিক, ত্রৈমাসিক, ষাণ্মাসিক ও বার্ষিক পত্রিকার সংখ্যা ৫৪।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন